📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাকিস্তানে সর্বোচ্চ পুরস্কারে ভূষিত হচ্ছেন জীবন বাজি রেখে নবজাতক উদ্ধারকারী নার্স রাজিয়া নুরিন

পাকিস্তানে সর্বোচ্চ পুরস্কারে ভূষিত হচ্ছেন জীবন বাজি রেখে নবজাতক উদ্ধারকারী নার্স রাজিয়া নুরিন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৫ শিশুর মধ্যে ১৪ জনের মৃত্যু ঘটে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক নবজাতককে উদ্ধার করা নার্স রাজিয়া নুরিনকে দেশটির সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার 'সিতারা-ই-খিদমত' প্রদান করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নির্দেশে তদন্তে উঠে এসেছে রাজিয়ার সাহসিকতার ঘটনা

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অবস্থিত পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস)-এর নবজাতক ওয়ার্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক শিশুকে উদ্ধার করা নার্স রাজিয়া নুরিনকে দেশটির সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার 'সিতারা-ই-খিদমত' প্রদান করা হবে। গত ২৬ আগস্ট বুধবার তৃতীয় তলার নার্সারিতে আগুন লাগার পর রাজিয়া মাত্র ৫১ সেকেন্ডের মধ্যে এক শিশুকে উদ্ধার করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাকিস্তানের ইসলামাবাদের পিআইএমএস হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ শিশুর মধ্যে ১৪ জন নিহত
  • 📌 রাজিয়া নুরিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক শিশুকে উদ্ধার করেন এবং পরবর্তীতে 'সিতারা-ই-খিদমত' পুরস্কারে ভূষিত হবেন
  • 📌 পুরস্কারের অর্থমূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৪ লাখ টাকা
  • 📌 প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নির্দেশে তদন্তে রাজিয়ার সাহসিকতা প্রমাণিত
  • 📌 আগুন লাগার মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পুরো নার্সারি ধ্বংস হয়ে যায়

📰 বিস্তারিত

গত ২৬ আগস্ট বুধবার পাকিস্তানের ইসলামাবাদের পিআইএমএস হাসপাতালের তৃতীয় তলার নার্সারিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ঘটনার সময় রাজিয়া নুরিন নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক শিশুকে উদ্ধার করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ৫১ সেকেন্ডের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আগুনে জ্বলতে থাকা কক্ষে প্রবেশ করে রাজিয়া শিশুটিকে কোলে নিয়ে বেরিয়ে আসেন। এরপর তিনি আবারও ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতা ও ধোঁয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি।

গত ৩০ আগস্ট রোববার পাকিস্তানের সামা টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজিয়া নুরিন জানান, তিনি কোনো পুরস্কারের আশায় শিশুটিকে উদ্ধার করেননি। এটি তাঁর পেশাগত দায়িত্ব ছিল। তিনি বলেন, ‘আমি পুরস্কারের জন্য এটি করিনি। আমি শিশুদের ভালোবাসি এবং তাদের যত্ন নেওয়া আমার ভালোবাসার কাজ।’ রাজিয়া আরও জানান, অন্য শিশুদেরও বাঁচাতে চেয়েছিলেন তিনি, কিন্তু দুই মিনিটের মধ্যেই পুরো নার্সারি ধ্বংস হয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘আমি ঘুমাতে পারি না। ওই শিশুরা আমাকে ঘুমাতে দেয় না।’

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নির্দেশে পরিচালিত তদন্তে দেখা যায়, রাজিয়া আগুন লাগার মাত্র আট সেকেন্ড পর শিশুটিকে উদ্ধার করেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাহস ও কর্তব্যনিষ্ঠার প্রশংসা করেন। তদন্তের পর আট কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলারও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

‘আমি পুরস্কারের জন্য এটি করিনি। আমি শিশুদের ভালোবাসি এবং তাদের যত্ন নেওয়া আমার ভালোবাসার কাজ।’ — রাজিয়া নুরিন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজিয়া নুরিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ জন শিশু, ১৪ জন নিহত, ৫১ সেকেন্ড, ৪৪ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖