📌 পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ার কোহাটে জুমার নামাজের সময় মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ২৭ জন নিহত হয়,其中 ১৫ জন পুলিশ সদস্য। ৭৫ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। হামলার দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের সহযোগী সংগঠন ইত্তেহাদুল মুজাহিদীন
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ার কোহাট শহরে জুমার নামাজের সময় একটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। এই হামলায় ১৫ জন পুলিশ সদস্য ও ছয়জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়। আহতের সংখ্যা ৭৫ জনেরও বেশি। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিস্ফোরণে মসজিদের একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পুলিশ স্টেশনের বাইরের দেয়াল ধসে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিস্ফোরণের শব্দ কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে শোনা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাকিস্তানের কোহাট পুলিশ লাইনে জুমার নামাজের সময় আত্মঘাতী গাড়িবোমা হামলায় ২৭ জন নিহত, ১৫ জন পুলিশ সদস্য ও ৬ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু
- 📌 আহতের সংখ্যা ৭৫ জনেরও বেশি, যার মধ্যে বেশিরভাগই জুমার নামাজে অংশ নেওয়া মুসল্লি
- 📌 হামলার দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের সহযোগী সংগঠন ইত্তেহাদুল মুজাহিদীন, হাফিজ গুল বাহাদুরের নেতৃত্বে
- 📌 বিস্ফোরণে পুলিশ কম্পাউন্ডে ঢোকার চেষ্টা করে সশস্ত্র হামলাকারীদের সাথে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিবিনিময় হয়, ৬ জন হামলাকারী নিহত
- 📌 পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত ও উদ্ধার অভিযান জোরদার করার নির্দেশ দেন
📰 বিস্তারিত
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়ার কোহাট পুলিশ লাইনে অবস্থিত একটি মসজিদে আজ শুক্রবার জুমার নামাজের সময় আত্মঘাতী গাড়িবোমা হামলা ঘটে। বিস্ফোরণে মসজিদের একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পুলিশ স্টেশনের বাইরের দেয়াল ধসে পড়ে। স্থানীয় চিকিৎসক তাহির শাহ জানান, নিহতদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন পুলিশ সদস্য এবং ৬ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে আনা হয়েছে ১৫ জনের মরদেহ এবং ৫০ জনের বেশি আহত। পরে উদ্ধারকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, আহতের প্রকৃত সংখ্যা ৭৫ জনেরও বেশি।
আত্মঘাতী হামলাকারীরা বিস্ফোরণ ঘটানোর পর পুলিশ কম্পাউন্ডে ঢোকার চেষ্টা করেন। এর ফলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তাদের বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। ইসলামাবাদ থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি কামাল হায়দার জানান, গোলাগুলিতে অন্তত ছয় হামলাকারী নিহত হয়েছে। তিনি বলেন, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, আফগানিস্তানে অবস্থানরত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠী নিরাপদ আশ্রয় পেয়ে পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। তবে কাবুল এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
হামলার দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের সহযোগী সংগঠন ইত্তেহাদুল মুজাহিদীন। সংগঠনটি জানায়, হাফিজ গুল বাহাদুরের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে। কোহাট শহরটি আফগান সীমান্তসংলগ্ন খাইবার পাখতুনখাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে প্রাণঘাতী হামলা বেড়েছে।
"পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তানে টিটিপি ও অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠী নিরাপদ আশ্রয় পেয়ে ইসলামাবাদের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে আসছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কোহাট পুলিশ লাইন, খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রদেশ, পাকিস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের সহযোগী সংগঠন ইত্তেহাদুল মুজাহিদীন, হাফিজ গুল বাহাদুর, চিকিৎসক তাহির শাহ, আল জাজিরার প্রতিনিধি কামাল হায়দার, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ জন নিহত, ১৫ জন পুলিশ সদস্য, ৬ জন বেসামরিক নাগরিক, ৭৫ জন আহত, ৬ জন হামলাকারী নিহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!