📌 উত্তর কোরিয়া পূর্ব উপকূল থেকে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুঁড়ে ফেলেছে বলে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক প্রধানরা জানিয়েছেন, মিসাইলগুলো ২৫০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সাথে তথ্য বিনিময় চলছে
উত্তর কোরিয়া তার পূর্ব উপকূল থেকে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুঁড়ে ফেলেছে বলে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক প্রধানদের দপ্তর (জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ) জানিয়েছে, শনিবার সকাল ৫:২০ মিনিটে (গত রবিবার রাত ৮:২০ GMT) উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলের ওয়নসান এলাকার থেকে মিসাইলগুলো ছুঁড়ে ফেলা হয়। মিসাইলগুলো প্রায় ২৫০ কিলোমিটার (১৫৫ মাইল) দূরত্ব অতিক্রম করেছে। দক্ষিণ কোরিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সাথে এই মিসাইল ছুঁড়ার বিষয়ে তথ্য বিনিময় করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া শনিবার সকাল ৫:২০ মিনিটে (গত রবিবার রাত ৮:২০ GMT) পূর্ব উপকূলের ওয়নসান এলাকার থেকে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুঁড়ে ফেলেছে।
- 📌 মিসাইলগুলো প্রায় ২৫০ কিলোমিটার (১৫৫ মাইল) দূরত্ব অতিক্রম করেছে।
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির জাতীয় নিরাপত্তা অফিস, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সামরিক প্রধানদের দপ্তর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের সাথে তৎক্ষণাৎ নিরাপত্তা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ড জানিয়েছে, এই মিসাইল ছুঁড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঞ্চল বা তাদের মিত্রদের কোনো সরাসরি হুমকি নয়।
- 📌 এই মিসাইল ছুঁড়া ঘটেছে দক্ষিণ কোরিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মধ্যে পাঁচ দিনের সমুদ্রযুদ্ধের অনুশীলনের পর।
- 📌 উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী কিম সং গি মিসাইল ছুঁড়ার আগে এই অনুশীলনকে সমালোচনা করেছিলেন এবং বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়া “ক্ষমতার দৃষ্টিকোণ থেকে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়াশীল পদক্ষেপ নিতে সক্ষম”।
- 📌 আগস্ট মাসে উত্তর কোরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে বৈঠক করার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও, মিসাইল ছুঁড়া চালিয়ে গেছে।
📰 বিস্তারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক প্রধানদের দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া শনিবার সকাল ৫:২০ মিনিটে (গত রবিবার রাত ৮:২০ GMT) পূর্ব উপকূলের ওয়নসান এলাকার থেকে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুঁড়ে ফেলেছে। মিসাইলগুলো প্রায় ২৫০ কিলোমিটার (১৫৫ মাইল) দূরত্ব অতিক্রম করেছে। দক্ষিণ কোরিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সাথে এই বিষয়ে তথ্য বিনিময় করছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির জাতীয় নিরাপত্তা অফিস, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সামরিক প্রধানদের দপ্তর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের সাথে তৎক্ষণাৎ নিরাপত্তা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ড জানিয়েছে, এই মিসাইল ছুঁড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঞ্চল বা তাদের মিত্রদের কোনো সরাসরি হুমকি নয়। তবে ওয়াশিংটন বলেছে, তারা দক্ষিণ কোরিয়া ও অন্যান্য মিত্রদের রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।
এই মিসাইল ছুঁড়া ঘটেছে দক্ষিণ কোরিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মধ্যে পাঁচ দিনের সমুদ্রযুদ্ধের অনুশীলনের পর। এই অনুশীলনটি উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীভূত ছিল। অনুশীলনের শুরুতে উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী কিম সং গি সমালোচনা করেছিলেন এবং বলেছিলেন, “আমরা ক্ষমতার দৃষ্টিকোণ থেকে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়াশীল পদক্ষেপ নিতে সক্ষম।”
আগস্ট মাসে উত্তর কোরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে বৈঠক করার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও, মিসাইল ছুঁড়া চালিয়ে গেছে। আগস্ট মাসে উত্তর কোরিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সংক্ষিপ্ত ‘আলচি ফ্রিডম শিল্ড’ সামরিক অনুশীলনের সময়ও মিসাইল ছুঁড়ে ফেলেছিল। ট্রাম্প এই অনুশীলনকে “অপ্রয়োজনীয় ও শত্রুতাপূর্ণ” বলে উল্লেখ করেছিলেন, যা অঞ্চলের মিত্রদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছিল।
"আমরা ক্ষমতার দৃষ্টিকোণ থেকে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়াশীল পদক্ষেপ নিতে সক্ষম"
"অপ্রয়োজনীয় ও শত্রুতাপূর্ণ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূল, ওয়নসান এলাকা; দক্ষিণ কোরিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিম সং গি (উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ কিলোমিটার (১৫৫ মাইল), ৫:২০ (সকাল), ৮:২০ (GMT), ৫ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!