📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জিওনিজমের বিরোধিতা করে: নেটুরেই কার্টা ও ফিলিস্তিনের সংগ্রামে তাদের ভূমিকা

জিওনিজমের বিরোধিতা করে: নেটুরেই কার্টা ও ফিলিস্তিনের সংগ্রামে তাদের ভূমিকা

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেটুরেই কার্টা নামের একটি অত্যন্ত ধর্মানুসারী ইহুদি গোষ্ঠী জিওনিজমকে প্রত্যাখ্যান করে এবং ইসরায়েল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয় না। তারা ফিলিস্তিনিদের অধিকার সংগ্রামে সমর্থন জানিয়ে জেরুসালেম ও নিউ ইয়র্কের রাস্তায় প্রতিবাদ করে। এই গোষ্ঠীর ইতিহাস থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত তাদের সংগ্রামের গল্প আল জাজীরার ডকুমেন্টারি তুলে ধরেছে

নেটুরেই কার্টা নামের একটি অত্যন্ত ধর্মানুসারী ইহুদি গোষ্ঠী জিওনিজমকে প্রত্যাখ্যান করে এবং ইসরায়েল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয় না। তারা ফিলিস্তিনিদের অধিকার সংগ্রামে সমর্থন জানিয়ে জেরুসালেম ও নিউ ইয়র্কের রাস্তায় প্রতিবাদ করে। আল জাজীরার একটি ডকুমেন্টারি এই গোষ্ঠীর ইতিহাসের গল্প তুলে ধরেছে, যা ২০ শতকের শুরু থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত তাদের সংগ্রামের বিবরণ প্রদান করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **নেটুরেই কার্টা** নামের একটি অত্যন্ত ধর্মানুসারী ইহুদি গোষ্ঠী যারা জিওনিজমের বিরোধিতা করে এবং ইসরায়েল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয় না।
  • 📌 তারা ফিলিস্তিনিদের অধিকার সংগ্রামে সমর্থন জানিয়ে **জেরুসালেমের মিয়া শেয়ারিম** এবং **নিউ ইয়র্ক** শহরে প্রতিবাদে অংশ নেয়।
  • 📌 গোষ্ঠীর ইতিহাসের মূল ভিত্তি **বালফোর ঘোষণা** এবং **হলোকাস্ট যুগের বিভাজন** থেকে শুরু হয়, যা তাদের জন্ম দেয়।
  • 📌 **১৯৪৮ সালে ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠার** পর থেকে তারা পুলিশের নির্যাতন, মৃত্যুর হুমকি এবং প্রধানধারার ইহুদি সম্প্রদায় থেকে বিচ্ছিন্নতার মুখোমুখি হয়।
  • 📌 তারা **ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসের আরাফাতের** ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে এবং **গাজার ব্লকেডের** বিরুদ্ধে সমর্থন প্রকাশ করে।
  • 📌 **জ্যাকব ইসরায়েল ডি হান** নামের একজন ইহুদি নেতার হত্যার ঘটনা এই গোষ্ঠীর ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

📰 বিস্তারিত

নেটুরেই কার্টা গোষ্ঠী ২০ শতকের শুরু থেকে জিওনিজমের বিরোধিতা করে আসছে। তারা ইসরায়েল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয় না এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার সংগ্রামে সমর্থন জানিয়ে তাদের পতাকা নিয়ে প্রতিবাদে অংশ নেয়। আল জাজীরার ডকুমেন্টারি এই গোষ্ঠীর ইতিহাসের গল্প তুলে ধরেছে, যা তাদের জন্ম থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত তাদের সংগ্রামের বিবরণ প্রদান করে।

গোষ্ঠীর ইতিহাসের মূল ভিত্তি **বালফোর ঘোষণা** এবং **হলোকাস্ট যুগের বিভাজন** থেকে শুরু হয়। এই সময়ে তারা জিওনিজমের বিরোধিতা করে এবং ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা পুলিশের নির্যাতন, মৃত্যুর হুমকি এবং প্রধানধারার ইহুদি সম্প্রদায় থেকে বিচ্ছিন্নতার মুখোমুখি হয়।

নেটুরেই কার্টা গোষ্ঠী **জ্যাকব ইসরায়েল ডি হান** নামের একজন ইহুদি নেতার হত্যার ঘটনাকে তাদের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করে। এই হত্যার পর থেকে তারা আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার সংগ্রামে সমর্থন জানাতে শুরু করে। তারা **ইয়াসের আরাফাতের** ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে এবং **গাজার ব্লকেডের** বিরুদ্ধে সমর্থন প্রকাশ করে।

বর্তমানে তারা **জেরুসালেমের মিয়া শেয়ারিম** এবং **নিউ ইয়র্ক** শহরে প্রতিবাদে অংশ নেয়। তাদের প্রতিবাদে ফিলিস্তিনি পতাকা নিয়ে হাজির হওয়া এবং জিওনিজমের বিরোধিতা করা তাদের অনন্য বৈশিষ্ট্য।

"নেটুরেই কার্টা গোষ্ঠী জিওনিজমের বিরোধিতা করে এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার সংগ্রামে সমর্থন জানিয়ে তাদের পতাকা নিয়ে প্রতিবাদে অংশ নেয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জেরুসালেম (মিয়া শেয়ারিম), নিউ ইয়র্ক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়াসের আরাফাত, জ্যাকব ইসরায়েল ডি হান, নেটুরেই কার্টা গোষ্ঠীর সদস্যরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ শতক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖