📅 ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে বিধ্বংসী বন্যায় নিহত ৩৫৯, নিখোঁজ এক হাজারের বেশি

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে বিধ্বংসী বন্যায় নিহত ৩৫৯, নিখোঁজ এক হাজারের বেশি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বিধ্বংসী বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৯ জনে। এখনো এক হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাঁদের অধিকাংশই ভারতীয় তীর্থযাত্রী। ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক।

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বিধ্বংসী বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৯ জনে। এখনো এক হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে শতাধিক বিদেশি পর্যটক ও তীর্থযাত্রী রয়েছেন। গত বুধবার সকালে কয়েক মিনিটের মধ্যে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয়ে ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী শহর, গ্রাম, সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস হয়ে যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৯ জনে
  • 📌 নিখোঁজ রয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ, যাঁদের মধ্যে ২৮৮ জন ভারতীয় নাগরিক
  • 📌 ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
  • 📌 বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্প নয়; হিমবাহ ধসে সৃষ্ট প্রবাহই ছিল দুর্যোগের মূল কারণ
  • 📌 ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে ভারতের দুটি সামরিক পরিবহন বিমান

📰 বিস্তারিত

নেপাল-তিব্বত সীমান্তের পার্বত্য এলাকায় স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ৯টার দিকে হিমবাহের বিশাল অংশ ধসে পড়ে। এর ফলে লেন্দে খোলা নদীতে হঠাৎ বিপুল পরিমাণ পানি ও পাথর জমা হয়ে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে বাঁধ ভেঙে যায়। সেই স্রোত ত্রিশূলী নদীতে নেমে আসে এবং ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে। নেপালের তিনটি জেলায় এই বন্যা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, জেলার প্রধান বাজার সংলগ্ন এলাকায় আঘাত হানার পর পানির স্রোতে মানুষ, গবাদিপশু, বাড়িঘর ও সরকারি অবকাঠামো মুহূর্তেই ভেসে যায়।

নেপাল পুলিশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এক হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে ২৮৮ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। তাঁদের অনেকেই কৈলাস-মানস সরোবর তীর্থযাত্রায় অংশ নিতে তিব্বতের পথে ছিলেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আরও প্রায় ২০০ তীর্থযাত্রীকে জরুরি ভিত্তিতে সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।

দুর্যোগের পর ভারত নেপালের সহায়তায় দুটি সামরিক পরিবহন বিমান পাঠিয়েছে। বিমান দুটিতে ৪৮ টন ত্রাণসামগ্রী রয়েছে, যার মধ্যে সৌরবাতি, স্বাস্থ্যবিধি কিট, আট টনের বেশি ওষুধ ও খাদ্যসামগ্রী অন্তর্ভুক্ত। কাঠমান্ডুভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের (আইসিমোড) বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বন্যার সময় ত্রিশূলী নদীর পানির উচ্চতা মাত্র ৩০ মিনিটে প্রায় ৯ মিটার বেড়ে যায়।

‘সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভোতে কোশির উপনদী লেন্দে খোলা। গত ১৪ মাসে লেন্দে খোলায় এটি দ্বিতীয়বারের বন্যা। এবার লেন্দে থোলার নেপাল অংশের একটি হিমবাহ থেকে বরফ ও পাথরের ধস নদীর প্রবাহ আটকে দেয় এবং পরে তা ভেঙে হঠাৎ প্রবল স্রোত সৃষ্টি করে।’ — দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিশেষজ্ঞ শাশ্বত সান্যাল

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপাল-তিব্বত সীমান্ত, ত্রিশূলী নদী এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উদ্ধারকর্মীরা, বিশেষজ্ঞরা, ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৩৫৯ জন, নিখোঁজ ১ হাজার ৩০০ জন, ত্রাণ সামগ্রী ৪৮ টন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖