📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৫:২৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হিমবাহধসে নেপাল-তিব্বতে মৃত্যু ৭৯৭, গণকবর দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ

হিমবাহধসে নেপাল-তিব্বতে মৃত্যু ৭৯৭, গণকবর দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হিমবাহধসে সৃষ্ট প্রলয়ংকরী বন্যায় নেপাল ও তিব্বতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৯৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন তিন হাজার ৪৮ জন। অর্ধগলিত মরদেহ শনাক্ত করতে না পেরে গণকবর দেওয়া শুরু করেছে নেপাল। নতুন হ্রদ সৃষ্টির কারণে পুনরায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে

হিমবাহধসে সৃষ্ট প্রলয়ংকরী বন্যায় নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে গতকাল রোববার ৭৯৭ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে নিখোঁজ রয়েছেন তিন হাজার ৪৮ জন। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে উদ্ধার তৎপরতা চলমান থাকলেও নতুন করে তৈরি হওয়া প্রাকৃতিক হ্রদের কারণে পুনরায় বন্যার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে চীন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নেপালে মৃত্যু হয়েছে ৭৮১ জনের, নিখোঁজ দুই হাজার ৫০২ জন
  • 📌 তিব্বতে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের, নিখোঁজ ৫৪৬ জন
  • 📌 নিখোঁজদের মধ্যে নেপালে ৫৯২ জন ও তিব্বতে ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক
  • 📌 চীনের সিসিটিভি জানায়, নতুন ভূমিধসে তৈরি হয়েছে আরেকটি হ্রদ, যার ফলে পুনরায় বন্যার আশঙ্কা
  • 📌 নেপালের চিতওয়ানে শতাধিক মরদেহের গণকবর দেওয়া হয়েছে অর্ধগলিত অবস্থায়

📰 বিস্তারিত

গত বুধবার হিমালয়ের হিমবাহধসে সৃষ্ট প্রলয়ংকরী বন্যায় নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এই দুর্যোগে নেপালে মৃত্যু হয়েছে ৭৮১ জনের, যেখানে নিখোঁজ রয়েছেন দুই হাজার ৫০২ জন। তিব্বতে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের, আর নিখোঁজ রয়েছেন ৫৪৬ জন। নিখোঁজদের মধ্যে নেপালে ৫৯২ জন ও তিব্বতে ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অর্ধগলিত মরদেহ শনাক্ত করতে না পেরে নেপালের চিতওয়ানের দেবঘাট বনাঞ্চলে শতাধিক মরদেহের গণকবর দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তা গণেশ আর্য জানান, স্রোতে ভেসে আসা মরদেহগুলো দ্রুত গলে যাওয়ায় জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগের দিন শনিবারও ৯৬টি মরদেহ কবর দেওয়া হয়েছিল।

চিতওয়ানের ভরতপুর হাসপাতালের অস্থায়ী মর্গে এখন ১২৫টির বেশি মরদেহ রয়েছে, যেখানে ধারণক্ষমতা মাত্র ৫০টি। পুলিশের পরিদর্শক অনিল থাপা জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে অর্ধেকের বেশিকে চেনার উপায় নেই। স্বজনদের খোঁজে চিতওয়ান এক্সপো সেন্টারের বাইরে শত শত মানুষ অপেক্ষা করছেন। প্রতিটি মরদেহের ছবি তুলে রাখা হচ্ছে এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে রেকর্ড রাখা হচ্ছে।

"স্রোতে ভেসে আসা মরদেহগুলো দ্রুত গলে যাচ্ছে। জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ঝুঁকি এড়াতে আমাদের দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।"

উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হওয়ার কারণে গত শুক্রবার থেকে কয়েক দফায় উদ্ধার কাজ স্থগিত রাখতে হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ত্রিশূলী নদীর পানি বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া জলবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শত শত কর্মীকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

চীনের সিসিটিভি জানায়, গত শনিবার গভীর রাতে ড্রোনের মাধ্যমে নতুন বিপদ শনাক্ত করা হয়। ওই অঞ্চলে নতুন ভূমিধসে তৈরি হয়েছে আরেকটি প্রাকৃতিক হ্রদ, যার ফলে পুনরায় আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চীনের বিজ্ঞানীরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবেই হিমালয়ের বরফাবৃত অঞ্চলে এমন অস্থিতিশীলতা তৈরি হচ্ছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপাল ও তিব্বত
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: পরিদর্শক অনিল থাপা, কর্মকর্তা গণেশ আর্য
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৭৯৭ জন, নিখোঁজ তিন হাজার ৪৮ জন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖