📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৪:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় অজ্ঞাত মৃতদের গণকবর দিতে বাধ্য কর্তৃপক্ষ, স্বজনদের দাবি শনাক্তের সুযোগ

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় অজ্ঞাত মৃতদের গণকবর দিতে বাধ্য কর্তৃপক্ষ, স্বজনদের দাবি শনাক্তের সুযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপালের চিতওয়ান জেলায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নিহত অজ্ঞাত ব্যক্তিদের গণকবর দিতে শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। শনিবার থেকে এ পর্যন্ত ৯৬টির বেশি মৃতদেহ দাফন করা হয়েছে। সরকার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করলেও স্বজনরা দাবি করেছেন পরিচয় শনাক্তের সুযোগ রাখতে হবে

নেপালের চিতওয়ান জেলার দেবঘাট বনে চলছে অজ্ঞাত মৃতদের গণকবর দেওয়ার কাজ। গত বুধবার চীন সীমান্তবর্তী রসুওয়া উপত্যকায় আকস্মিক বন্যায় ভেসে আসা শতাধিক মৃতদেহ সেখানে দাফন করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার ৯৬টি মৃতদেহ দাফন করা হয়েছে এবং রোববার আরও শতাধিক মৃতদেহ দাফনের কাজ চলছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চিতওয়ান জেলার দেবঘাট বনে চলছে অজ্ঞাত মৃতদের গণকবর দেওয়া
  • 📌 গত বুধবার চীন সীমান্তবর্তী রসুওয়া উপত্যকায় বন্যায় নিহত প্রায় ৭৮১ জন
  • 📌 শনিবার ৯৬টি মৃতদেহ দাফন করা হয়েছে, রোববার আরও শতাধিক মৃতদেহ দাফনের কাজ চলছে
  • 📌 কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিটি কবরের অবস্থান নথিভুক্ত করা হচ্ছে এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে
  • 📌 ভারত ও চীন থেকে ফরেনসিক দল এসে স্বজনদের শনাক্তে সহায়তা করছে

📰 বিস্তারিত

নেপালের চিতওয়ান জেলার দেবঘাট বনে চলছে অজ্ঞাত মৃতদের গণকবর দেওয়ার কাজ। গত বুধবার চীন সীমান্তবর্তী রসুওয়া উপত্যকায় আকস্মিক বন্যায় ভেসে আসা শতাধিক মৃতদেহ সেখানে দাফন করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার ৯৬টি মৃতদেহ দাফন করা হয়েছে এবং রোববার আরও শতাধিক মৃতদেহ দাফনের কাজ চলছে।

গত বুধবারের হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট বন্যায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৮১ জন নিহত এবং তিন হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। চিতওয়ানের প্রধান জেলা কর্মকর্তা গণেশ আরিয়াল বলেন, ‘আমাদের সামনে অন্য কোনো বিকল্প ছিল না। দ্রুত পচনশীল মৃতদেহ জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছিল, তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।’

প্রায় ১০০ জন উদ্ধারকর্মী, পুলিশ সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তা নিহতদের নথিভুক্ত করা, মৃতদেহের ছবি তোলা, স্বজনদের শনাক্তে সহায়তা এবং দাফনের প্রস্তুতির কাজ করছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিটি কবরের সুনির্দিষ্ট অবস্থান নথিভুক্ত করা হচ্ছে। মৃতদেহের ওপরে ও নিচে পরিচয়চিহ্ন বসানো হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে প্রয়োজনে মৃতদেহ শনাক্ত ও উত্তোলন করা যায়।

‘এ পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া মৃতদেহের অর্ধেকেরও বেশি শনাক্ত করার মতো অবস্থায় নেই। অনেকের মুখমণ্ডলও অবশিষ্ট নেই।’ — পুলিশ পরিদর্শক অনিল থাপা

ভরতপুর হাসপাতালে অস্থায়ী মর্গের প্রায় ২০০ মিটার দূর থেকেই পচা মৃতদেহের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। রয়টার্সকে হাসপাতালের প্রবেশপথ পর্যন্ত যেতে দেয় কর্তৃপক্ষ। মর্গের মেঝেতে প্রায় ১২৫টি মৃতদেহ রাখা রয়েছে, যার অনেকগুলো কয়েক দিন পানিতে থাকার কারণে মারাত্মকভাবে পচে গেছে। অথচ হাসপাতালটির ধারণক্ষমতা মাত্র ৫০টি মৃতদেহ।

কয়েক শ মিটার দূরের চিতওয়ান এক্সপো সেন্টার নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে আসা মানুষের ভিড়ে পরিণত হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মৃতদেহের ছবি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বজনদের শনাক্তের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অনেক পরিবার দূরবর্তী জেলা থেকে ব্যাগপত্র নিয়ে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছে।

পাশের একটি পুরোনো একতলা ভবনকে অস্থায়ী মৃতদেহ সংরক্ষণাগারে রূপান্তর করা হয়েছে। সেখানে বাঙ্ক বেডের ওপর সারিবদ্ধভাবে রাখা বডি ব্যাগ, বরফ, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ও শিল্পমানের কুলিং ইউনিট দিয়ে পচন রোধ করার চেষ্টা চলছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চিতওয়ান জেলা, নেপাল
  • 👥 প্রধান ব্যক্তি: গণেশ আরিয়াল (চিতওয়ান জেলা কর্মকর্তা), অনিল থাপা (পুলিশ পরিদর্শক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৮১ জন নিহত, ৯৬টি মৃতদেহ দাফন, ১০০ জন কর্মী নিয়োজিত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖