📌 নেপালের রসুয়া জেলায় ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যায় কমপক্ষে ১৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ১১৪ জন। বিবেক নামের এক শ্রমিক আমগাছ আঁকড়ে প্রাণ বাঁচিয়েছেন। ভূমিকম্পের পর ঘটে এই দুর্যোগ।
নেপালের রসুয়া জেলায় ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যায় কমপক্ষে ১৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন চার শতাধিক ব্যক্তি। ভূমিকম্পের পর ঘটা এই দুর্যোগকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিবেক কুমার (২৪) নামের এক নির্মাণশ্রমিক আমগাছ আঁকড়ে প্রাণ বাঁচিয়েছেন ভূমিধসে
- 📌 ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১৫৭ জনের, নিখোঁজ চার শতাধিক
- 📌 ভূমিকম্পের পর ঘটা এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রসুয়া জেলা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা
- 📌 উদ্ধার হয়েছে ১১৪ জনকে, যাদের বেশিরভাগকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে কাঠমান্ডুর ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারে
📰 বিস্তারিত
বিবেক কুমার নামের এক নির্মাণশ্রমিক জানান, তিনি যখন একটি বাড়ির শৌচাগারের জন্য গর্ত খুঁড়ছিলেন, তখনই শুরু হয় ভয়াবহ ভূমিধস। হঠাৎ করেই নেমে আসে পাহাড়ি ঢল। কাদাপানি ও পাথরের তোড়ে ভেসে যায় চারপাশ। তিনি জানান, শুরুতে একটি ‘হিসহিস’ শব্দ শুনতে পান। সহকর্মীরা তাকে দ্রুত গর্ত থেকে বের হয়ে পালাতে বলেন। কিন্তু তিনি বের হওয়ার আগেই প্রবল ঢল নেমে আসে। ভাগ্যক্রমে একটি আমগাছে আটকে যান তিনি। বিবেক বলেন, ‘আমগাছটা না থাকলে আমি ভেসে মারা যেতাম।’
এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী রসুয়া জেলা। এছাড়া বিদুর এলাকায় কর্মরত ছিলেন বিবেক। তাঁর সহকর্মীরা পালিয়ে গেলেও তিনি গাছে আটকে যান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। বিবেক ডান পায়ে আঘাত পেয়েছেন বলে জানান।
কাঠমান্ডুর ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন বিবেক ছাড়াও আরও তিনজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন হাসপাতালে উদ্ধার হওয়া মানুষদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালের বাইরে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে গেছে।
‘আমি দৌড়াতে শুরু করি। এর পর ভূমিকম্পের মতো কাঁপুনি, বিকট শব্দে ঢল নেমে আসে। প্রবল ঢলে ভেসে যান বিবেক।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রসুয়া জেলা, নেপাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিবেক কুমার (২৪), নির্মাণশ্রমিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ১৫৭ জন, উদ্ধার ১১৪ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!