📌 নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহের সামনের অংশ ভেঙে পড়ায় সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে তিন শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এখনো দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। হিমালয়ের হিমবাহ দ্রুত গলার কারণে এমন দুর্যোগের ঝুঁকি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।
নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী হিমালয়ের পর্বত অঞ্চলে ২৬ আগস্ট হিমবাহের সামনের অংশ ভেঙে পড়ায় সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে তিন শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এখনো দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, পাঁচ হাজার মিটার উচ্চতায় অবস্থিত হিমবাহের একটি বড় অংশ ভেঙে পড়ে নিচের উপত্যকায় আছড়ে পড়ে। এর ফলে আকস্মিক জলপ্রবাহ ও বিপুল পরিমাণ পাথর-মাটি নেমে আসে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হিমবাহের সামনের অংশ ভেঙে পড়ায় সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যু
- 📌 এখনো দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন
- 📌 পাঁচ হাজার মিটার উচ্চতায় হিমবাহের অংশ ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটে
- 📌 নেপাল ও তিব্বত অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে
- 📌 হিমালয়ের হিমবাহ দ্রুত গলার কারণে এমন দুর্যোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে
📰 বিস্তারিত
হিমালয়ের পর্বত অঞ্চলে অবস্থিত নেপাল-চীন সীমান্তে গত ২৬ আগস্ট হিমবাহের সামনের অংশ ভেঙে পড়ায় সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে তিন শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, পাঁচ হাজার মিটার উচ্চতায় অবস্থিত হিমবাহের একটি বড় অংশ ভেঙে পড়ে নিচের উপত্যকায় আছড়ে পড়ে। এর ফলে আকস্মিক জলপ্রবাহ ও বিপুল পরিমাণ পাথর-মাটি নেমে আসে।
এ ঘটনায় নেপালের পাশাপাশি তিব্বত অঞ্চলেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, হিমবাহের সামনের অংশ ভেঙে পড়ার কারণে এমন দুর্যোগ সৃষ্টি হয়েছে। এটি হিমবাহ-হ্রদ বিস্ফোরণজনিত বন্যা নয় বলে ইসিমডের হিমবাহ ও তুষার-বরফবিষয়ক গবেষক সুনভি মাস্কে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হিমালয়ের হিমবাহ দ্রুত গলছে, যার ফলে এমন দুর্যোগের ঝুঁকি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ইসিমডের পানিবিশেষজ্ঞ নিহা শ্রেষ্ঠা প্রধান জানান, হিমালয়ের হিমবাহ দ্রুত গলার কারণে পাহাড়ি নদী ও হিমবাহ-হ্রদের ঝুঁকি বাড়ছে। তিনি বলেন, একটি ছোট উৎস থেকে তৈরি জলপ্রবাহের পথে বিপুল পলি, পাথর ও ধ্বংসাবশেষ যুক্ত হয়ে ভয়াবহ বন্যায় পরিণত হতে পারে।
"সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হিমবাহকে কয়েকটি বড় ধরনের দুর্যোগের উৎস হিসেবে দেখা যাচ্ছে। ইসিমডের সম্প্রতি প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনেও বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চল হিমবাহ-সম্পর্কিত বিভিন্ন দুর্যোগের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী হিমালয়ের পর্বত অঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুনভি মাস্কে (ইসিমডের হিমবাহ ও তুষার-বরফবিষয়ক গবেষক), নিহা শ্রেষ্ঠা প্রধান (ইসিমডের পানিবিশেষজ্ঞ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন শতাধিক (নিহত), দেড় হাজার (নিখোঁজ), পাঁচ হাজার (মিটার উচ্চতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!