📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপালের বন্যায় ভেসে আসা শতাধিক লাশ সংরক্ষণে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন

নেপালের বন্যায় ভেসে আসা শতাধিক লাশ সংরক্ষণে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপালের ভয়াবহ বন্যায় ভেসে আসা মরদেহ সংরক্ষণ ও পরিচয় শনাক্তকরণে চরম সংকটে পড়েছে স্থানীয় প্রশাসন। চিতওয়ান জেলায় ইতিমধ্যে ১৩৭টি লাশ উদ্ধার হলেও স্থানীয় হাসপাতালগুলোর ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছে। প্রশাসন অস্থায়ী মর্গ নির্মাণ করলেও স্বজনদের অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

নেপালের ভোটেকোশি নদীর প্রলয়ংকরী বন্যায় ভেসে আসা মানুষের মরদেহ সংরক্ষণ ও পরিচয় শনাক্তকরণে স্থানীয় প্রশাসন হিমশিম খাচ্ছে। ভরতপুর মহানগরীসহ বিভিন্ন জেলার হাসপাতালগুলোর মর্গগুলো ইতিমধ্যে পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় প্রশাসন অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভরতপুর মহানগরীতে পরিত্যক্ত ভবনকে অস্থায়ী মর্গে রূপান্তরিত করেছে প্রশাসন
  • 📌 চিতওয়ান জেলায় বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ১৩৭টি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে
  • 📌 স্থানীয় হাসপাতালগুলোর ধারণক্ষমতা মাত্র ৩০ থেকে ৫০টি লাশ রাখার মতো
  • 📌 অস্থায়ী মর্গে ২৫০টি লাশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে
  • 📌 পোখরা শহরে গত দুই দিনে ৯৩টি মরদেহ পাঠানো হয়েছে
  • 📌 পোখরার হাসপাতালগুলোর সর্বমোট ধারণক্ষমতা মাত্র ৮৮টি লাশ

📰 বিস্তারিত

বন্যার উৎপত্তিস্থল রসুয়া ও নুয়াকোট থেকে ভেসে আসা মরদেহগুলো এখন নুয়াকোট ছাড়াও চিতওয়ান, তনহুন, নবলপরাসীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে। নুয়াকোট, ধাদিং ও নবলপরাসী জেলার হাসপাতালগুলোর মর্গগুলো ইতিমধ্যে পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় প্রশাসন বাধ্য হয়ে কিছু লাশ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোয় স্থানান্তর করছে।

চিতওয়ান জেলায় সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেখানে উদ্ধার হওয়া মরদেহের সংখ্যা স্থানীয় হাসপাতালগুলোর ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে যাওয়ায় প্রশাসন ভরতপুর মহানগরীর বিদ্যুৎ রোডে অবস্থিত ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট’-এর পরিত্যক্ত ভবনকে অস্থায়ী মর্গ হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার চিতওয়ানের চিফ ডিস্ট্রিক্ট অফিসার (সিডিও) গণেশ আরিয়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত চিতওয়ান অঞ্চলের ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর ফিশলিং থেকে গোলাঘাট পর্যন্ত অংশ থেকে ১৩৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সিডিও গণেশ আরিয়াল জানান, চিতওয়ানের সব কটি হাসপাতালের মর্গ মিলিয়ে মাত্র ৩০ থেকে ৫০টি লাশ একসঙ্গে রাখা সম্ভব। এই ধারণক্ষমতার ওপর প্রচণ্ড চাপ তৈরি হওয়ায় নতুন অস্থায়ী কেন্দ্রে প্রায় ২৫০টি লাশ রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

ভরতপুর মহানগর কর্তৃপক্ষ এই অস্থায়ী ভবনটি মেরামত ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দিয়ে সাজানোর দায়িত্ব নিয়েছে। লাশগুলো যাতে পচে না যায় সেজন্য ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বসানো হচ্ছে এবং ড্রাই আইস ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। চিতওয়ানের বিভিন্ন শিল্প ও বণিক সমিতি ড্রাই আইস সরবরাহের খরচ ও দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছে।

অন্যদিকে, পর্যটন নগরী পোখরাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। গত দুই দিনে তনহুন, গোরখা, পূর্ব নবলপরাসী ও ধাদিং জেলা থেকে মোট ৯৩টি মরদেহ পোখরায় পাঠানো হয়েছে। কাস্কি জেলার সিডিও কুমান সিং গুরুং জানিয়েছেন, পোখরা একাডেমি অব হেলথ সায়েন্সেসসহ পুরো জেলার সব হাসপাতাল মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৮৮টি লাশ রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে পোখরা একাডেমিতে ৭২টি, নেপাল মণিপাল টিচিং হাসপাতালে ৮টি এবং গণ্ডকী মেডিক্যাল কলেজসহ অন্যান্য হাসপাতালগুলোতে দুটি করে লাশ রাখার ধারণক্ষমতা রয়েছে।

"লাশগুলো যাতে পচে না যায়, সেজন্য ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বসানো হচ্ছে এবং ড্রাই আইস ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।" — গণেশ আরিয়াল, সিডিও, চিতওয়ান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চিতওয়ান, ভরতপুর, পোখরা, নেপাল
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: গণেশ আরিয়াল (সিডিও, চিতওয়ান), কুমান সিং গুরুং (সিডিও, কাস্কি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৭টি (উদ্ধারকৃত লাশ, চিতওয়ান), ৯৩টি (পোখরায় প্রেরিত লাশ), ২৫০টি (অস্থায়ী মর্গ ধারণক্ষমতা), ৮৮টি (পোখরার মোট ধারণক্ষমতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖