📌 গ্রিনল্যান্ডের পূর্ব উপকূলে বরফ গলে যাওয়ায় বিশাল আকৃতির হাম্পব্যাক, ফিন ও মিংকে তিমিরা এখন সেখানে খাদ্য গ্রহণ করছে। ২০০৬ সাল পর্যন্ত যেখানে এদের দেখা মিলত না, সেখানে ২০২৪ সালে প্রায় ৪ হাজার হাম্পব্যাক, ৬ হাজার ফিন ও ৬ হাজার মিংকে তিমির উপস্থিতি নথিভুক্ত হয়েছে
পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের সমুদ্র অঞ্চলে দ্রুত বরফ গলে যাওয়ার ফলে বিশ্বের বৃহত্তম তিমি প্রজাতিগুলো এখন এমন এলাকায় প্রবেশ করছে, যেখানে আগে তাদের দেখা যেত না। কয়েক দশকের গবেষণায় উঠে এসেছে যে, গ্রীষ্মকালীন খাদ্য গ্রহণের মৌসুমে হাম্পব্যাক, মিংকে ও ফিন তিমিরা এখন পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের উপকূলীয় জলরাশিতে খাবার সংগ্রহ করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের সমুদ্র থেকে দ্রুত বরফ অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে, যার ফলে বিশাল তিমিরা নতুন এলাকায় প্রবেশ করছে
- 📌 ২০০৬ সাল পর্যন্ত পূর্ব গ্রিনল্যান্ডে হাম্পব্যাক তিমির দেখা মেলেনি, কিন্তু ২০২৪ সালে প্রায় ৪ হাজার হাম্পব্যাক তিমি সেখানে উপস্থিত ছিল
- 📌 গবেষকদের তথ্যমতে, গ্রীষ্মকালীন খাদ্য গ্রহণের মৌসুমে তিন প্রজাতির তিমি মিলে কমপক্ষে ৮ লাখ টন মাছ ও ক্রিল খেয়ে ফেলবে
- 📌 বিজ্ঞানীরা এই পরিবর্তনকে মৌসুমি আর্কটিক ফিডিং ফ্রেঞ্জি হিসেবে অভিহিত করেছেন
📰 বিস্তারিত
গবেষকদের মতে, পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের উপকূলীয় এলাকায় সমুদ্রের পানি উষ্ণ হওয়ার ফলে বরফ গলে যাচ্ছে। এর ফলে তিমিরা নিজেদের খাদ্য সংগ্রহের জন্য নতুন এলাকায় প্রবেশ করছে। ২০১৫ ও ২০২৪ সালে পরিচালিত নিয়মতান্ত্রিক আকাশপথে জরিপে দেখা গেছে যে, পূর্ব গ্রিনল্যান্ড উপকূলে ফিন, মিংকে এবং হাম্পব্যাক তিমির উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
গবেষক অধ্যাপক ম্যাডস পিটার হেইডে-জর্জিংসেন বলেন, "এই অঞ্চলের পরিবর্তনগুলো উপমেরু অঞ্চলের যেকোনো জায়গার তুলনায় সবচেয়ে বেশি হয়েছে। সমুদ্রের উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং খাদ্যের প্রাপ্যতাই এর প্রধান কারণ।" তিনি আরও জানান, উষ্ণ পানিতে নতুন ধরনের মাছ চলে আসায় তিমিরা সেগুলো খাচ্ছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, এই পরিবর্তনের ফলে নারহ্বালের মতো আর্কটিকের নিজস্ব প্রজাতিগুলো তাদের আবাসস্থল হারাচ্ছে। এছাড়া গ্রিনল্যান্ডের কিছু অঞ্চলে তিমি শিকার করা হয় বলে বিষয়টি দেশটির জন্য সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।
"২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালে পূর্ব গ্রিনল্যান্ড সাগরে প্রায় ৪ হাজার হাম্পব্যাক তিমি, ৬ হাজার ফিন তিমি এবং ৬ হাজার মিংকে তিমি প্রবেশ করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পূর্ব গ্রিনল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ম্যাডস পিটার হেইডে-জর্জিংসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ হাজার (হাম্পব্যাক তিমি), ৬ হাজার (ফিন তিমি), ৬ হাজার (মিংকে তিমি), ৮ লাখ টন (খাদ্য গ্রহণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!