📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হিমালয়ের বিপর্যয়ের পূর্বাভাস ছিল পাঁচ মাস আগেই: আইসিমডের সতর্কবার্তা উপেক্ষিত

হিমালয়ের বিপর্যয়ের পূর্বাভাস ছিল পাঁচ মাস আগেই: আইসিমডের সতর্কবার্তা উপেক্ষিত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শতাধিক মানুষের মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটে। আইসিমডের মার্চ ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চলের হিমবাহ গলনের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছিল।

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শতাধিক মানুষের মৃত্যু এবং তিন হাজারের বেশি মানুষের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পাঁচ মাস আগেই আন্তর্জাতিক পর্বত গবেষণা সংস্থা আইসিমড হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চলের হিমবাহ গলনের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আইসিমডের মার্চ ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চলের হিমবাহ গলনের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছিল
  • 📌 ১৯৭৫ সালের পর থেকে হিমবাহের বরফের পুরুত্ব সর্বোচ্চ ২৭ মিটার পর্যন্ত কমে গেছে
  • 📌 ১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে হিমবাহ তাদের মোট আয়তনের প্রায় ১২ শতাংশ হারিয়েছে
  • 📌 ২০০০ সালের পর থেকে হিমবাহ গলার হার দ্বিগুণ হয়ে গেছে
  • 📌 ঘটনার সময় ত্রিশূলী নদীর পানি মাত্র ৩০ মিনিটে প্রায় ৯ মিটার পর্যন্ত বেড়ে যায়

📰 বিস্তারিত

গত ২৬ আগস্ট স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় তিব্বত-নেপাল সীমান্তের লেন্দে খোলা উপত্যকায় বিশাল আকারের বরফ ও শিলা ধসে পড়ে। এর ফলে কাদা, পাথর, বরফ ও পানির স্রোত ত্রিশূলী নদীতে নেমে আসে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে নদীর পানি তীর উপচে আশপাশের জনপদ প্লাবিত করে। নেপাল পুলিশের তথ্যমতে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং তিন হাজারের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

আইসিমডের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, চীন, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানসহ হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চলের দেশগুলো। সংস্থাটি মার্চ ২০২৬ সালে দুটি পৃথক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদন দুটিতে বলা হয়, ১৯৭৫ সালের পর থেকে অনেক হিমবাহের বরফের পুরুত্ব সর্বোচ্চ ২৭ মিটার পর্যন্ত কমে গেছে। ১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে পুরো হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চলের হিমবাহ তাদের মোট আয়তনের প্রায় ১২ শতাংশ এবং মোট বরফের প্রায় ৯ শতাংশ হারিয়েছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, ২০০০ সালের পর থেকে হিমবাহ গলার হার দ্বিগুণ হয়ে গেছে। গবেষকদের ভাষায়, এটি ইঙ্গিত দেয় যে হিমালয়ের কিছু অংশ এমন এক ‘টিপিং পয়েন্ট’-এর দিকে এগোচ্ছে, যেখান থেকে হিমবাহের পশ্চাদপসরণ আর থামানো সম্ভব হবে না।

"গত ১৪ মাসে লেন্দে খোলায় এটি দ্বিতীয়বারের মতো বড় ধরনের বন্যা। এবার একটি হিমবাহ থেকে বরফ ও শিলা ধসে নদীর পানিপ্রবাহ সাময়িকভাবে আটকে দেয় এবং পরে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ পানি নিচের দিকে ধেয়ে আসে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপাল-তিব্বত সীমান্তের লেন্দে খোলা উপত্যকা
  • 👥 গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি: আইসিমডের দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিশেষজ্ঞ শাশ্বত সান্যাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৬৮২ জন, নিখোঁজ ৩ হাজার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖