📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ব্যবসায় জড়িত ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার ও সহযোগী গ্রেপ্তার

পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ব্যবসায় জড়িত ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার ও সহযোগী গ্রেপ্তার

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পর্নোগ্রাফিক ভিডিও নির্মাণ ও বিক্রির অভিযোগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ সুমাইয়া সাঈদ নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার এবং তার সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের অভিযানে পর্নোগ্রাফিক ভিডিও নির্মাণ ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার এবং তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলায় সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও আসামি করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পর্নোগ্রাফিক ভিডিও নির্মাণ ও বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) ও খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার
  • 📌 অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে মামলা দায়ের
  • 📌 অভিযুক্ত চক্রটি বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে অর্থ আদান-প্রদান করত
  • 📌 গ্রাহকদের জন্য ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ প্রচার করতেন অভিযুক্তরা
  • 📌 অভিযুক্তদের কাছ থেকে আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার নজরদারির সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট ও তা বিক্রির প্রচারণা শনাক্ত হয়। অভিযুক্ত চক্রটি বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত। এমনকি গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে তারা ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপন প্রচার করতেন বলে জানা গেছে।

এরপর গত ১১ আগস্ট রাতে ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে আটক করে ডিবি। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সুমাইয়া ও তার সহযোগীরা মিলে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিচালনা করছিলেন। অন্যদিকে সুমাইয়ার বাবা মেয়ের এসব কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত থাকার পরও কোনো বাধা দেননি; বরং এই অনৈতিক আয়ের অর্থ নিয়মিত নিতেন বলে তদন্তে প্রমাণ মিলেছে।

"অভিযুক্তরা নিয়মিত সাইবার নজরদারির মাধ্যমে শনাক্ত হওয়ার পরও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভাটারা ও বাড্ডা, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমাইয়া সাঈদ, খাজা সাকলাইন ফারুক, মো. আবু সাঈদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার ৫০০ টাকা, ২৫ বছর, ১০ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖