📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বন্যা ও রাজনৈতিক জটিলতায় নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় স্থগিত

বন্যা ও রাজনৈতিক জটিলতায় নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় স্থগিত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভারতের অনুমোদন সমস্যার কারণে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে নেপাল থেকে গড়ে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যেত, যা এখন কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬৫০ মেগাওয়াটে

বাংলাদেশে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় স্থগিত হয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে নেপাল সাধারণত গড়ে প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করলেও এবার তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬৫০ মেগাওয়াটে। গত ২৬ আগস্ট নেপালের কোশি নদীতে ভয়াবহ বন্যার কারণে দেশটির বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই সংকট দেখা দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নেপালের কোশি নদীতে ২৬ আগস্ট বন্যার কারণে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
  • 📌 বর্ষা মৌসুমে নেপাল থেকে বাংলাদেশে গড়ে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হতো, যা এখন কমে দাঁড়িয়েছে ৬৫০ মেগাওয়াটে
  • 📌 নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যত শূন্যের কোঠায়
  • 📌 ভারতের অনুমোদন না থাকায় আরও তিনটি প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ রয়েছে

📰 বিস্তারিত

নেপালের জন্য বর্ষা মৌসুম বিদ্যুৎ উৎপাদনের সবচেয়ে অনুকূল সময়। ভারী বৃষ্টির কারণে নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলে দেশটি উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে বিক্রি করতে পারে। কিন্তু এ বছর কোশি নদীতে ভয়াবহ বন্যার কারণে বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে নেপাল ভারত ও বাংলাদেশে প্রায় ২ হাজার ৯৩২ কোটি রুপি মূল্যের বিদ্যুৎ রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ভারত থেকে প্রায় ১ হাজার ২৩ কোটি রুপি মূল্যের বিদ্যুৎ আমদানি করেছে দেশটি। ফলে বিদ্যুৎ বাণিজ্যে নেপালের নিট উদ্বৃত্ত ছিল প্রায় ১ হাজার ৯০৯ কোটি রুপি।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ জানিয়েছেন, ‘বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুটি প্রকল্পই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই বিকল্প হিসেবে অন্য কোনো প্রকল্পের বিদ্যুৎ পাঠানোর অনুমতি দিতে আমরা ভারতকে অনুরোধ করেছি। বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি কার্যত শূন্য।’

‘বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুটি প্রকল্পই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই বিকল্প হিসেবে অন্য কোনো প্রকল্পের বিদ্যুৎ পাঠানোর অনুমতি দিতে আমরা ভারতকে অনুরোধ করেছি। বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি কার্যত শূন্যের কোঠায়।’ — দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ, ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ

ক্ষয়ক্ষতি শুধু দুটি প্রকল্পেই সীমাবদ্ধ নয়। বন্যার পর থেকে মোট ১২টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সানজেন, আপার সানজেন ও সালাসুঙ্গি প্রকল্পকে ‘আইসোলেটেড মোডে’ রেখেছে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। এর অর্থ, প্রকল্পগুলো জাতীয় গ্রিডের বাইরে থেকে পরিচালিত হচ্ছে এবং শুধু আশপাশের এলাকার চাহিদা মেটাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপাল, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার মেগাওয়াট, ৬৫০ মেগাওয়াট, ২ হাজার ৯৩২ কোটি রুপি, ১ হাজার ৯০৯ কোটি রুপি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖