📌 মিয়ানমার ও ভিয়েতনামের শীর্ষ নেতারা সামরিক প্রশিক্ষণ, অর্থনৈতিক বিনিয়োগ ও উচ্চ প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেন। বৈঠকে উভয় দেশ দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তি ও স্বাধীন চলাচলেরও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন
মিয়ানমার ও ভিয়েতনামের শীর্ষ নেতারা সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরো গভীর করার সিদ্ধান্ত নেন। শনিবার হ্যানোয়ে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে ভিয়েতনামের নেতা তো লামের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উভয় দেশের নেতারা সামরিক প্রশিক্ষণ, তরুণ কর্মকর্তাদের মধ্যে মতবিনিময়, তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে একমত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিয়ানমার ও ভিয়েতনামের নেতারা সামরিক সহযোগিতা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেন, যার মধ্যে প্রশিক্ষণ, তথ্য আদান-প্রদান ও অপরাধ দমনে সমন্বয় অন্তর্ভুক্ত
- 📌 উভয় দেশ দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তি ও স্বাধীন চলাচলের অধিকার রক্ষার পক্ষে পুনর্ব্যক্ত করেন
- 📌 মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের ভিয়েতনাম সফরে প্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ ও শিল্প উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় আলোচিত হয়
- 📌 আসিয়ান ও মেকং উপ-আঞ্চলিক কাঠামোর মধ্যে আরও নিবিড় সমন্বয় বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন উভয় নেতা
- 📌 ভিয়েতনামের নেতা তো লাম বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে ভিয়েতনাম প্রস্তুত
📰 বিস্তারিত
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের ভিয়েতনাম সফরের প্রথম দিনেই এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে উভয় দেশের নেতারা সামরিক সহযোগিতাকে তাদের সম্পর্কের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন। তারা সামরিক প্রশিক্ষণ, তরুণ কর্মকর্তাদের মধ্যে মতবিনিময়, তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে একমত হন। পাশাপাশি তারা অপরাধ দমনে তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করেন।
ভিয়েতনামের নেতা তো লাম বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে ‘জাতীয় উন্নয়ন, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে ভিয়েতনাম প্রস্তুত রয়েছে’। তিনি আরও বলেন, উভয় দেশের ভূখণ্ডকে কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা নিজেদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেবেন না।
মিয়ানমার ও ভিয়েতনামের নেতারা দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং স্বাধীনভাবে জাহাজ ও উড়োজাহাজ চলাচলের অধিকারেরও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। এছাড়া তারা আসিয়ান এবং মেকং উপ-আঞ্চলিক কাঠামোর মধ্যে আরও নিবিড় সমন্বয় বজায় রাখার অঙ্গীকার করেন।
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সফরের অংশ হিসেবে তিনি গত শুক্রবার ভিয়েতনামের বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ভিনফাস্ট ও টেলিযোগাযোগ গ্রুপ ভিয়েটেলের কারখানা পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শন থেকে প্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ এবং শিল্প উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। উভয় দেশ অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক সম্প্রসারণের পাশাপাশি উচ্চ প্রযুক্তির কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল রূপান্তর, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো খাতে নতুন সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে একমত হন।
"মিয়ানমারের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে ভিয়েতনাম প্রস্তুত রয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হ্যানোয় (ভিয়েতনাম), মেকং উপ-আঞ্চলিক কাঠামো, দক্ষিণ চীন সাগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং, ভিয়েতনামের নেতা তো লাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (মিয়ানমারের ভিয়েতনাম সফরের প্রথম সরকারি সফর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!