📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাখাইনের নিরাপত্তা স্থিতিশীল হলেই বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার

রাখাইনের নিরাপত্তা স্থিতিশীল হলেই বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিয়ানমার সরকার জানিয়েছে, দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে বাংলাদেশের শরণার্থীশিবিরে থাকা প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এসব রোহিঙ্গাকে সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

মিয়ানমার সরকার জানিয়েছে, দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে বাংলাদেশের শরণার্থীশিবিরে অবস্থানরত প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। শনিবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিয়ানমার সরকার জানায়, রাখাইনের নিরাপত্তা স্থিতিশীল হলে তিন লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেবে
  • 📌 বাংলাদেশের সরবরাহ করা ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার তালিকা যাচাই করেছে মিয়ানমার
  • 📌 যাচাই করা ব্যক্তিদের মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে
  • 📌 ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের পরিচয় যাচাই করা যায়নি বলে দাবি মিয়ানমারের
  • 📌 ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক অভিযানের মুখে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে

📰 বিস্তারিত

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলে বাংলাদেশের শরণার্থীশিবিরে অবস্থানরত প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মিয়ানমার সরকার জানায়, জুলাই মাসের শেষ নাগাদ বাংলাদেশ সরকার সরবরাহ করা ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার তালিকা যাচাই করেছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের পরিচয় যাচাই করা সম্ভব হয়েছে। যাচাই করা ব্যক্তিদের মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের পরিচয় সফলভাবে যাচাই করা যায়নি বলে দাবি করেছে মিয়ানমার।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এর আগেও বিভিন্ন সময় সহিংসতার কারণে আরও কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছিলেন। মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের দেশটির স্বীকৃত ১৩৫টি জাতিগোষ্ঠীর অংশ হিসেবে গণ্য করে না। বরং তাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে অভিহিত করে থাকে।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে যাচাই করা সাবেক বাসিন্দাদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে তারা। তবে দেশটির ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের সহিংসতার পর ৫ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। আর ২ লাখের বেশি মানুষ উত্তর রাখাইনে থেকে যায়।

"রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে যাচাই করা সাবেক বাসিন্দাদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে মিয়ানমার সরকার।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিয়ানমার ও বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়ানমার সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ, ৭ লাখ, ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন, ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖