📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এভারেস্টের হিমবাহ গলনের নতুন কারণ: পর্বতারোহীদের প্রস্রাব ও জ্বালানি পোড়ানো

এভারেস্টের হিমবাহ গলনের নতুন কারণ: পর্বতারোহীদের প্রস্রাব ও জ্বালানি পোড়ানো

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এভারেস্টের বেস ক্যাম্পে পর্বতারোহীদের জ্বালানি পোড়ানো ও প্রস্রাব ফেলার কারণে প্রতিবছর প্রায় দুই হাজার টন বরফ গলে যাচ্ছে বলে নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে। নেপালের খুম্বু হিমবাহে পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের কর্মকাণ্ডই হিমবাহ গলনের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে

নেপালের এভারেস্টের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত খুম্বু হিমবাহের বেস ক্যাম্পে প্রতিবছর প্রায় দুই হাজার টন বরফ গলে যাওয়ার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে পর্বতারোহীদের জ্বালানি পোড়ানো ও সরাসরি প্রস্রাব ফেলা। আন্তর্জাতিক একদল গবেষকের সাম্প্রতিক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ‘Regional Environmental Change’ জার্নালে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রতি বছর এভারেস্ট অভিযানের মৌসুমে প্রায় দুই হাজার টন বরফ গলে যাচ্ছে জ্বালানি পোড়ানো ও প্রস্রাবের কারণে
  • 📌 ২০২৩ সালের বসন্ত মৌসুমে ব্যবহৃত হয়েছে ৮২৪টি এলপিজি ক্যানিস্টার, ১৮ হাজার ৯৩৫ লিটার কেরোসিন ও ৫ হাজার ১৩০ লিটার পেট্রল
  • 📌 মানুষের প্রস্রাব থেকে উৎপন্ন তাপেও গলে যাচ্ছে প্রায় ১৫৪ টন বরফ
  • 📌 গবেষকেরা ভবিষ্যতে বেস ক্যাম্পটি হিমবাহ থেকে সরিয়ে স্থানান্তরের পরামর্শ দিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

এভারেস্টের বেস ক্যাম্পে প্রতি বছর বসন্ত মৌসুমে হাজার হাজার পর্বতারোহী, গাইড ও সহায়ক কর্মীরা জড়ো হন। এই সময়ে স্থানটি পর্যটনকেন্দ্রের মতো পরিণত হয়। সেখানে রয়েছে কফিশপ, টেলিভিশন, দ্রুতগতির ইন্টারনেট, গরম পানির ব্যবস্থা ও উষ্ণ তাঁবু। গবেষকেরা ২০২৩ সালের ৫০ দিনের বসন্ত মৌসুমে পরিচালিত প্রায় এক হাজার ৬০০টি তাঁবুর জ্বালানি ব্যবহারের হিসাব বিশ্লেষণ করেন।

গবেষণা অনুযায়ী, রান্না, গরম রাখা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত জ্বালানির কারণে উৎপন্ন তাপের পরিমাণ ছিল প্রায় আট লাখ ৪৯ হাজার ১৭৪ মেগাজুল। এই তাপের কারণে আনুমানিক দুই হাজার ৪৯২ টন বরফ গলে যেতে পারে বলে ধারণা করা হয়। হিসাবের সম্ভাব্য সীমা ছিল এক হাজার ৯৬৪ থেকে তিন হাজার দুই টন পর্যন্ত।

অন্যদিকে, উচ্চতায় পানিশূন্যতা এড়াতে পর্বতারোহীরা প্রচুর পানি পান করেন। ফলে প্রতিদিন প্রায় ছয় হাজার লিটার প্রস্রাব উৎপন্ন হয়। যদিও কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ করা হলেও বিপুল পরিমাণ প্রস্রাব সরাসরি হিমবাহে ফেলা হয়। গবেষকদের মতে, শুধু প্রস্রাবের তাপেই প্রতি মৌসুমে প্রায় ১৫৪ টন বরফ গলে যেতে পারে।

গবেষকেরা স্বীকার করেছেন যে, এভারেস্টের হিমবাহ গলে যাওয়ার প্রধান কারণ এখনো জলবায়ু পরিবর্তন। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত গলে যাওয়া হিমবাহের ওপর মানুষের এমন ঘনত্ব দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। ভবিষ্যতে বেস ক্যাম্পটি হিমবাহ থেকে সরিয়ে কাছাকাছি কোনো স্থিতিশীল এলাকায় স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

"এভারেস্টের হিমবাহ গলে যাওয়ার প্রধান কারণ এখনো জলবায়ু পরিবর্তন হলেও মানুষের কর্মকাণ্ডও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়।" — গবেষক দল

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপালের খুম্বু হিমবাহ
  • 👥 গবেষক দল: আন্তর্জাতিক একদল গবেষক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই হাজার ৪৯২ টন (বরফ গলনের আনুমানিক পরিমাণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖