📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্রিটিশ আদালতে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত চার ফিলিস্তিন কর্মীর আপিল দাখিল

ব্রিটিশ আদালতে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত চার ফিলিস্তিন কর্মীর আপিল দাখিল

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাজ্যে ইসরায়েলি অস্ত্র কারখানায় হামলার অভিযোগে চার ফিলিস্তিন কর্মীকে ‘সন্ত্রাসী’ ঘোষণা করে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন তারা। মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই রায়কে ‘আইনের শাসনের বিপরীত’ হিসেবে অভিহিত করেছে

লন্ডন, যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যের একটি আদালত কর্তৃক ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে অভিযুক্ত চার ফিলিস্তিন কর্মী তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। শার্লট হেড, স্যামুয়েল কর্নার, লিওনা কামিও এবং ফাতেমা জয়নব রাজওয়ানি নামে চারজন কর্মীকে ২০২৪ সালের আগস্টে ব্রিস্টলের কাছে ফিলটনে অবস্থিত একটি ইসরায়েলি অস্ত্র কারখানায় হামলার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চার ফিলিস্তিন কর্মীকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে অভিহিত করে যুক্তরাজ্যের আদালত সর্বপ্রথম সম্পত্তি ধ্বংসকে ‘সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে চিহ্নিত করে।
  • 📌 মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই রায়কে ‘আইনের শাসনের বিপরীত’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তা কার্যকর থাকলে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধেও প্রযোজ্য হতে পারে বলে সতর্ক করেছে।
  • 📌 চার কর্মীর মধ্যে লিওনা কামিওকে সাত বছর আট মাস এবং ফাতেমা জয়নব রাজওয়ানিকে চার বছর আট মাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য দুই কর্মীকে পাঁচ বছর করে সাজা দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 আপিলে দাবি করা হয়েছে যে, ফিলিস্তিন অ্যাকশন সংগঠনটি ঘটনার সময় নিষিদ্ধ ছিল না এবং তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা ‘অত্যধিক’ ছিল।

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত একটি আদালত কর্তৃক চার ফিলিস্তিন কর্মীকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে অভিহিত করে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে তারা আপিল করেছেন। শার্লট হেড, স্যামুয়েল কর্নার, লিওনা কামিও এবং ফাতেমা জয়নব রাজওয়ানি নামে চারজন কর্মীকে ২০২৪ সালের আগস্টে ব্রিস্টলের কাছে ফিলটনে অবস্থিত ইসরায়েলি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এলবিট সিস্টেমসের যুক্তরাজ্য শাখায় হামলার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই রায়কে ‘আইনের শাসনের বিপরীত’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। ইউনিভার্সিটি অব কেন্টের আন্তর্জাতিক আইনের প্রভাষক শাহদ হাম্মুরি বৃহস্পতিবার লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “এই রায় যদি অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে তা যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের বিরুদ্ধে বিদেশি অপরাধীদের পক্ষে যাবে এবং আইনের শাসনের বিরুদ্ধে যাবে।” তিনি আরও বলেন, এই রায় ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধেও প্রযোজ্য হতে পারে।

চার কর্মীর মধ্যে লিওনা কামিওকে সাত বছর আট মাস এবং ফাতেমা জয়নব রাজওয়ানিকে চার বছর আট মাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য দুই কর্মীকে পাঁচ বছর করে সাজা দেওয়া হয়েছে। কর্নারকে আরও গ্রেভ বডিলি হার্মের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে কারণ তিনি হামলার সময় একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে আঘাত করেছিলেন।

আপিলে দাবি করা হয়েছে যে, ফিলিস্তিন অ্যাকশন সংগঠনটি ঘটনার সময় নিষিদ্ধ ছিল না এবং তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা ‘অত্যধিক’ ছিল। আপিলে আরও বলা হয়েছে যে, এই রায় ইউরোপিয়ান কনভেনশন অন হিউম্যান রাইটসের (ইসিএইচআর) ৭ নং অনুচ্ছেদ এবং ৬ নং অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছে, যা ন্যায্য বিচারের অধিকার নিশ্চিত করে।

ফিলিস্তিন অ্যাকশনের মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলি সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ বন্ধ করা। সংগঠনটির দাবি, তারা বৈশ্বিকভাবে ইসরায়েলের গণহত্যা ও বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। এলবিট সিস্টেমসের বিরুদ্ধে পরিচালিত এই হামলায় সংগঠনটি কোয়াডকপ্টার ড্রোন উৎপাদন বন্ধের চেষ্টা করেছিল বলে জানা গেছে।

“এই রায় যদি অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে তা যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের বিরুদ্ধে বিদেশি অপরাধীদের পক্ষে যাবে এবং আইনের শাসনের বিরুদ্ধে যাবে।” — শাহদ হাম্মুরি, আন্তর্জাতিক আইনের প্রভাষক, ইউনিভার্সিটি অব কেন্ট

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শার্লট হেড, স্যামুয়েল কর্নার, লিওনা কামিও, ফাতেমা জয়নব রাজওয়ানি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চারজন কর্মী, পাঁচ থেকে সাত বছর কারাদণ্ড

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖