📌 মিয়ানমারের সামরিক সমর্থিত সরকার বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে থাকা ৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে নিজ দেশের রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে
মিয়ানমারের সামরিক সমর্থিত সরকার বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে নিজ দেশের রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। শনিবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের প্রত্যাবাসন করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে থাকা ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জন রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করেছে মিয়ানমার
- 📌 জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে দেওয়া ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার তালিকার মধ্যে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের পরিচয় যাচাই করা হয়েছে
- 📌 মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী, তালিকায় থাকা ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি
- 📌 মিয়ানমার জানিয়েছে, যাচাই করা সাবেক বাসিন্দাদের প্রত্যাবাসনের জন্য ঢাকার সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখবে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরগুলোতে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে নিজ দেশের রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করেছে মিয়ানমার। শনিবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে দেওয়া ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার তালিকার মধ্যে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের পরিচয় যাচাই করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তালিকায় থাকা ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া ৪ হাজার ২৪১ জনকে মিয়ানমার ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত বলে দাবি করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, রাখাইনে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে যাচাই করা সাবেক বাসিন্দাদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে ঢাকার সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখবে তারা।
"রাখাইনে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে যাচাই করা সাবেক বাসিন্দাদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে ঢাকার সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখবে তারা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জন, ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন, ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!