📌 মিয়ানমারের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, রোহিঙ্গারা ‘বাঙালি’ নয়। বৈঠকে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়। যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানানো হয়
ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোর কাছে বাংলাদেশ সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করা সঠিক নয়। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) বিকাল ৫টা ৫২ মিনিটে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার অনুবিভাগের মহাপরিচালক তৌফিক-উর-রহমান এই অবস্থান তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিয়ানমারের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশ সরকার জানায়, রোহিঙ্গারা ‘বাঙালি’ নয়
- 📌 বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মো ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক তৌফিক-উর-রহমান
- 📌 মিয়ানমারের দেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ও তথ্য ভুল পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়
- 📌 জাতিসংঘ ব্যবস্থায় নিবন্ধিত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রকৃত সংখ্যা প্রতিফলিত হয়েছে বলে জানানো হয়
- 📌 বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও সমঝোতার আলোকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়
📰 বিস্তারিত
মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। গত ১৫ আগস্ট মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশিত বিবৃতিতে রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যা বাংলাদেশ সরকার প্রত্যাখ্যান করে। মঙ্গলবার বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোর কাছে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে মহাপরিচালক তৌফিক-উর-রহমান মিয়ানমারের দেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ও তথ্য ভুল পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, জাতিসংঘ ব্যবস্থায় নিবন্ধিত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রকৃত সংখ্যা প্রতিফলিত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার হিসাব রয়েছে বলে জানানো হয়।
বৈঠকে আরও জানানো হয়, বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও সমঝোতার আলোকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়। একইসঙ্গে ২০১৭ সালের পর রাখাইন থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা নতুন রোহিঙ্গা এবং ক্যাম্পে জন্ম নেওয়া শিশুদের তথ্যও যাচাই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়।
"রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করা সঠিক নয়। তারা নিজস্ব জাতিগত পরিচয়সম্পন্ন একটি জনগোষ্ঠী, যা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষও সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত স্বীকার করে এসেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তৌফিক-উর-রহমান, উ কিয়াও সোয়ে মো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!