📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এমআইটির সমাবর্তনে লিসা সুর জীবনের শিক্ষা: অসম্ভবকেও জয় করা যায়

এমআইটির সমাবর্তনে লিসা সুর জীবনের শিক্ষা: অসম্ভবকেও জয় করা যায়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটির সমাবর্তনে বক্তৃতা দেন এএমডির প্রধান নির্বাহী লিসা সু। তিনি বলেন, এমআইটির শিক্ষা তাকে শিখিয়েছে কীভাবে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ দিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) সমাবর্তন বক্তৃতায় অংশ নিয়ে নিজের জীবনের শিক্ষা তুলে ধরেন মার্কিন সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এএমডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লিসা সু। তিনি বলেন, একসময় যেসব সমস্যাকে অসম্ভব মনে হতো, সেগুলোরও সমাধান করা সম্ভব।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এমআইটির সমাবর্তনে বক্তৃতা দেন এএমডির প্রধান নির্বাহী লিসা সু
  • 📌 তিনি বলেন, এমআইটির শিক্ষা তাকে শিখিয়েছে অসম্ভবকে জয় করার পদ্ধতি
  • 📌 এমআইটিতে পড়াশোনাকালীন সময়ে নিজের গণিতে দক্ষতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল
  • 📌 প্রফেসর হ্যাঙ্ক স্মিথের ল্যাবে কাজ করার সময় সেমিকন্ডাক্টরের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়
  • 📌 এমআইটির মূলমন্ত্র 'মেনস ইত ম্যানুস' তাকে শিখিয়েছে মন ও হাতের সমন্বয়
  • 📌 আইবিএমে যোগ দেওয়ার পর শিখেছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বয়স নয়, আইডিয়ার গুরুত্ব
  • 📌 এএমডির সিইও হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানকে নতুন দিশা দেখানোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন

📰 বিস্তারিত

এমআইটির সমাবর্তনে অংশ নিয়ে নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা তুলে ধরেন লিসা সু। তিনি বলেন, এমআইটির শিক্ষা তাকে শিখিয়েছে কীভাবে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। তাঁর বক্তৃতায় উঠে আসে ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন মুহূর্তের কথা।

১৯৮৬ সালে এমআইটিতে ভর্তি হওয়ার সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর। তাইওয়ানে জন্মগ্রহণ করলেও তিনি বেড়ে উঠেছেন নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে। এমআইটিতে ভর্তির পর প্রথম দুই সপ্তাহেই তিনি বুঝতে পারেন যে, গণিতে তাঁর দক্ষতা অন্যদের তুলনায় বেশি নয়। তিনি বলেন, এমআইটির শিক্ষার্থীরা এতটাই প্রতিভাবান যে তাঁর মতো অনেকেই প্রথম দিকে নিজেদের যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ করতে শুরু করেন।

তিনি আরও বলেন, এমআইটির শিক্ষা শুধু জ্ঞান অর্জন নয়, বরং নিজের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়। তিনি প্রফেসর হ্যাঙ্ক স্মিথের ল্যাবে কাজ করার সময় সেমিকন্ডাক্টরের প্রতি তাঁর আগ্রহ তৈরি হয়। এমআইটির মূলমন্ত্র 'মেনস ইত ম্যানুস' অর্থাৎ মন ও হাতের সমন্বয় তাঁকে শিখিয়েছে কীভাবে চিন্তা ও কর্মের সমন্বয় ঘটাতে হয়।

"এমআইটি তোমাকে এমন জায়গায় ঠেলে নিয়ে যাবে, যেখানে তুমি ভাবইনি কখনো পৌঁছাতে পারবে। তুমি হয়তো একটা সমস্যা সমাধানের জন্য লড়াই করছ। একটি-দুটি সার্কিট পুড়িয়ে ফেলেছ। তারপর, কোনো না কোনোভাবে…জিনিসটা কাজ করেছে। সেই মুহূর্তে তোমার মনে হবে, আমি পারি! তোমার মনে হতে শুরু করবে, আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার।"

আইবিএমে যোগ দেওয়ার পর তিনি শিখেছিলেন যে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে বয়স নয়, আইডিয়ার গুরুত্ব বেশি। তিনি বলেন, তাঁর একজন মেন্টর তাঁকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, 'সবচেয়ে কঠিন সমস্যাগুলোর দিকে এগিয়ে যাও।' এই পরামর্শ তাঁর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

এএমডির সিইও হওয়ার পর তিনি প্রতিষ্ঠানকে নতুন দিশা দেখানোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং ভবিষ্যতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হবে। তাঁর নেতৃত্বে এএমডি এমন প্রযুক্তি তৈরি করেছে, যা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটারগুলোকে সক্ষম করে তুলেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিসা সু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖