📌 মণিপুরে নাগা ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষে গত মঙ্গলবার দু’জন কুকি নারী নিহত হন। স্থানীয় সংগঠন মরদেহ গ্রহণ না করার ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়াও কাংপোকপি জেলায় নাগা গ্রামে হামলা ও আগুন দেওয়া হয়
মণিপুরের উত্তেজনাপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে পড়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের এই পাহাড়ি রাজ্যে চলমান নাগা ও কুকি সম্প্রদায়ের সংঘর্ষে গত মঙ্গলবার দু’জন কুকি নারী নিহত হন। স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় আরও কয়েকজন গ্রামবাসী নিখোঁজ রয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মণিপুরের তামেনগ্লং জেলার লেইসাংফাইয়ে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহে গিয়ে দু’জন কুকি নারী নিহত হন — চোঙ্গা সিটলহো (৬০) ও কিমবোই সিংন (৩০)।
- 📌 স্থানীয় সংগঠন ‘কুকি ইনপি মণিপুর’ মরদেহ গ্রহণ না করার ঘোষণা দিয়েছে বিচার না পাওয়া পর্যন্ত।
- 📌 গত ১৩ সেপ্টেম্বর তামেনগ্লং জেলার টোলেন কুকি গ্রামে উগ্রপন্থীদের হামলায় এক দম্পতি নিহত ও তাদের শিশুসন্তান গুরুতর আহত হন।
- 📌 নোনে জেলার লংপি গ্রামেও উগ্রপন্থীদের গুলিতে একজন পুরুষ ও একজন নারী নিহত হন।
- 📌 কাংপোকপি জেলার চাওয়াংকিনিংয়ে নাগা গ্রামে সশস্ত্র হামলা ও দুটি বসতবাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
- 📌 নিরাপত্তা বাহিনী ও হামলাকারীদের মধ্যে রাত সাড়ে ১০টা থেকে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত লড়াই চলেছে।
- 📌 নাগা পিপলস ফ্রন্টের নেতা আওয়াংবো নিউমাই বলেছেন, এই ধরনের সহিংসতা কোনো সম্প্রদায়ের জন্য সুফল আনবে না।
📰 বিস্তারিত
মণিপুরের উত্তেজনাপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশে নাগা ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা আরো বেড়েছে। গত মঙ্গলবার তামেনগ্লং জেলার লেইসাংফাইয়ে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহে গিয়ে দু’জন কুকি নারী নিহত হন। স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় আরও কয়েকজন গ্রামবাসী নিখোঁজ রয়েছেন। স্থানীয় সংগঠন ‘কুকি ইনপি মণিপুর’সহ একাধিক সংগঠন বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ওই দুই নারীর মরদেহ গ্রহণ না করার ঘোষণা দিয়েছে।
এই ঘটনাটি মণিপুরের সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার আরো একটি চিহ্ন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর তামেনগ্লং জেলার টোলেন কুকি গ্রামে নিজ বাড়িতে উগ্রপন্থীদের হামলায় এক দম্পতি প্রাণ হারান ও তাদের শিশুসন্তান গুরুতর আহত হন। একই দিনে নোনে জেলার লংপি গ্রামেও উগ্রপন্থীদের গুলিতে একজন পুরুষ ও একজন নারী নিহত হন।
সঙ্গে সঙ্গে কাংপোকপি জেলার চাওয়াংকিনিংয়ে একটি নাগা গ্রামে সশস্ত্র হামলা হয় এবং দুটি বসতবাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) মোতায়েন ছিল। রাত সাড়ে ১০টা থেকে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনী ও হামলাকারীদের মধ্যে লড়াই চলেছে।
"এ ধরনের বর্বরোচিত ও কাণ্ডজ্ঞানহীন কার্যকলাপ কোনো সম্প্রদায়ের জন্যই শুভ ফল বয়ে আনবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মণিপুর, উত্তর-পূর্ব ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চোঙ্গা সিটলহো (৬০), কিমবোই সিংন (৩০), আওয়াংবো নিউমাই
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০, ৩০, ১০, ৪, ১৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!