📌 পাকিস্তান হাইকমিশন জানায়, আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপের আর্থিক সহায়তা মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের জন্য স্নাতকদের থেকে আলাদা পদ্ধতিতে বিতরণ করা হবে। গত বছরে ৭৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন, এবার ১২৫ জন স্নাতক, ২২ জন মাস্টার্স ও ১৪ জন পিএইচডি প্রোগ্রামে নির্বাচিত হয়েছে।
পাকিস্তানের আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ কর্মসূচির আর্থিক সহায়তা পদ্ধতি নিয়ে ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশন বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মিডিয়া প্রশ্নের জবাবে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে। হাইকমিশন জানিয়েছে, মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক সহায়তা বিতরণের পদ্ধতি স্নাতক শিক্ষার্থীদের থেকে আলাদা হতে পারে। তবে কর্মসূচির আওতায় সব যোগ্য শিক্ষার্থীই সমান পরিমাণ আর্থিক সহায়তা পাবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাকিস্তান হাইকমিশন জানায়, মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা পদ্ধতি স্নাতকদের থেকে আলাদা হতে পারে
- 📌 আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডোরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ
- 📌 গত বছরে ৭৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন
- 📌 দ্বিতীয় ব্যাচে ১২৫ জন স্নাতক, ২২ জন মাস্টার্স ও ১৪ জন পিএইচডি প্রোগ্রামে নির্বাচিত হয়েছে
- 📌 পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনেটর মুহাম্মদ ইসহাক দার ২০২৫ সালে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন
📰 বিস্তারিত
পাকিস্তান হাইকমিশনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ কর্মসূচি সফলভাবে তার লক্ষ্য পূরণের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় গত বছরে প্রথম ব্যাচ হিসেবে বাংলাদেশের ৭৪ জন শিক্ষার্থী পাকিস্তানের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হয়েছেন। এবার দ্বিতীয় ব্যাচের জন্য তিন হাজারাধিক শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ১২৫ জন স্নাতক, ২২ জন মাস্টার্স এবং ১৪ জন পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর এসব শিক্ষার্থী শিগগিরই পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেবেন।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনেটর মুহাম্মদ ইসহাক দার গত ২০২৫ সালের আগস্টে ঢাকা সফরের সময় এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। পাকিস্তান বলেছে, শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ভ্রাতৃপ্রতিম বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
"মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক সহায়তা বিতরণের পদ্ধতি স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের থেকে ভিন্ন হতে পারে। তবে এই কর্মসূচির আওতায় সব যোগ্য শিক্ষার্থীই সমপরিমাণ আর্থিক সহায়তা পাবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, পাকিস্তান হাইকমিশন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিনেটর মুহাম্মদ ইসহাক দার (পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪ জন (গত বছরের শিক্ষার্থী), ১২৫ জন (স্নাতক), ২২ জন (মাস্টার্স), ১৪ জন (পিএইচডি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!