📌 গাদ্দাফির পতনের পর দীর্ঘ ১৫ বছরের বিভক্তির অবসানে লিবিয়ার দুই প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার প্রথমবারের মতো ১৯০ বিলিয়ন দিনার সমন্বিত বাজেট অনুমোদন করেছে। মার্কিন সমর্থিত এই চুক্তি দুই পক্ষের মধ্যে সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচন করলেও রাজনৈতিক বিভাজন রয়েই গেছে
ত্রিপোলিতে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের ঠিক ১৫ বছর পর লিবিয়ার দুই প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার প্রথমবারের মতো একটি যৌথ বাজেট অনুমোদন করেছে। এপ্রিল মাসে অনুমোদিত হওয়া এই বাজেটের পরিমাণ প্রায় ১৯০ বিলিয়ন দিনার বা প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দুই সরকারের মধ্যে সমানভাবে বিভক্ত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লিবিয়ার দুই সরকার প্রথমবারের মতো যৌথ বাজেট অনুমোদন করেছে, যার পরিমাণ ১৯০ বিলিয়ন দিনার বা প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
- 📌 গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই লিবিয়া দুই সরকারের দ্বন্দ্বে বিভক্ত ছিল, যার শুরু হয়েছিল ২০১১ সালের গণবিক্ষোভের পর
- 📌 ২০১১ সালে গাদ্দাফির বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় এবং দুই সরকারের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব চলতে থাকে
- 📌 ২০২১ সালে গঠিত জাতীয় ঐক্য সরকারের প্রধান আবদুল হামিদ দিবেইবাহ নির্বাচনের আগেই ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান
- 📌 দুই সরকারের মধ্যে সামরিক সহযোগিতার নতুন উদ্যোগ হিসেবে এপ্রিল মাসে পূর্ব ও পশ্চিম উভয় সরকারের সেনারা একত্রে সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণ করে
📰 বিস্তারিত
২০১১ সালে তৎকালীন নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর লিবিয়া দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিভাজন ও গৃহযুদ্ধের মধ্যে রয়েছে। গাদ্দাফির পতনের পর দেশটিতে দুই সরকারের উদ্ভব ঘটে — একটি ত্রিপোলিভিত্তিক সরকার এবং অন্যটি পূর্বাঞ্চলভিত্তিক সরকার। দুই সরকারের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব চলতে থাকে এবং নির্বাচন বারবার স্থগিত হতে থাকে।
২০২১ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় গঠিত জাতীয় ঐক্য সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আবদুল হামিদ দিবেইবাহ। তবে নির্বাচনের আগেই তিনি নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করলে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়। নির্বাচন স্থগিত হওয়ার পরও দিবেইবাহ ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান।
এই রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যেই দুই সরকারের মধ্যে প্রথমবারের মতো যৌথ বাজেট অনুমোদিত হয়েছে। এপ্রিল মাসে অনুমোদিত হওয়া এই বাজেটের পরিমাণ প্রায় ১৯০ বিলিয়ন দিনার বা প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দুই সরকারের মধ্যে বিভক্ত হওয়া এই অর্থ দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
"গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই লিবিয়া দুই সরকারের দ্বন্দ্বে বিভক্ত ছিল। তবে এবার দুই সরকারের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লিবিয়া, ত্রিপোলি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুয়াম্মার গাদ্দাফি, আবদুল হামিদ দিবেইবাহ, খলিফা হাফতার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর, ১৯০ বিলিয়ন দিনার, ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!