📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মৃত্যুদণ্ডের বিষাক্ত ইনজেকশনে বেঁচে যাওয়া মার্কিন নারী: 'জ্ঞান ফিরেছে, কথা বলছেন'

মৃত্যুদণ্ডের বিষাক্ত ইনজেকশনে বেঁচে যাওয়া মার্কিন নারী: 'জ্ঞান ফিরেছে, কথা বলছেন'

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্রিস্টা পাইক (৫০) বিষাক্ত ইনজেকশনের পর অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। তাঁর আইনজীবীরা জানান, তিনি হাসপাতালে হাতকড়া পরা অবস্থায় জ্ঞান ফিরিয়েছেন। এ ঘটনা নজিরবিহীন বলে মনে করা হচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টায় বিষাক্ত ইনজেকশন দেওয়া এক নারীর অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া ঘটনা বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ক্রিস্টা পাইক (৫০) নামের এই নারী ১৯৯৫ সালে হত্যার দায়ে দণ্ডিত হয়ে গতকাল মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টায় দুবার বিষাক্ত ইনজেকশন দেওয়া হলেও তিনি বেঁচে যান। তাঁর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, হাসপাতালে হাতকড়া পরা অবস্থায় ক্রিস্টা জ্ঞান ফিরিয়েছেন এবং কথা বলছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ক্রিস্টা পাইক (৫০) মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টায় বিষাক্ত ইনজেকশন দেওয়া হলেও বেঁচে যান — এ ঘটনা নজিরবিহীন বলে মনে করা হচ্ছে।
  • 📌 হাসপাতালে হাতকড়া পরা অবস্থায় ক্রিস্টা জ্ঞান ফিরিয়েছেন এবং কথা বলার শুরু করেছেন, তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক।
  • 📌 টেনেসি গভর্নর বিল লি বছরের বাকি সময়ের জন্য সব ধরনের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেছেন এবং কারাগারপ্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
  • 📌 ফোর্ডহ্যাম ল স্কুলের অধ্যাপক ডেবোরা ডেনো বলেছেন, ক্রিস্টা হলেন এমন একমাত্র ব্যক্তি যাঁর শরীরে বিষাক্ত ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি বেঁচে গেছেন।
  • 📌 ১৯৯৫ সালে ১৮ বছর বয়সে ক্রিস্টা ও তাঁর প্রেমিক তাডারিল শিপ এক ১৯ বছর বয়সী কিশোরকে হত্যা করেছিলেন।
  • 📌 ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে কার্যকর মৃত্যুদণ্ডের এক-তৃতীয়াংশ ত্রুটিপূর্ণ বা মারাত্মক সমস্যায় ভুগছিল।

📰 বিস্তারিত

ক্রিস্টা পাইক (৫০) গতকাল মঙ্গলবার টেনেসি অঙ্গরাজ্যের একটি হাসপাতালে হাতকড়া পরা অবস্থায় জ্ঞান ফিরিয়েছেন। তাঁর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ক্রিস্টার শরীর থেকে বিষাক্ত ইনজেকশনের রাসায়নিক পদার্থ বের করার সময় তিনি অচেতন অবস্থায় ছিলেন। বিশেষজ্ঞ ও আইনি দলের মতে, ক্রিস্টার বেঁচে যাওয়া নজিরবিহীন। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যুদণ্ড প্রক্রিয়ার একটি নতুন প্রশ্ন উঠেছে।

ক্রিস্টার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ‘তাঁর শারীরিক অবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না। আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’ ফোর্ডহ্যাম ল স্কুলের অপরাধবিশেষজ্ঞ ও অধ্যাপক ডেবোরা ডেনো বিবিসিকে বলেছেন, ‘পাইকের জ্ঞান ফেরা ও কথা বলার সংবাদে আমি অবাক। এর আগে সাতটি ঘটনায় কয়েদিরা মৃত্যুদণ্ড থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন, কিন্তু সেসব ক্ষেত্রে বিষাক্ত ইনজেকশন বা বিষ প্রয়োগ করা হয়নি। ক্রিস্টাই একমাত্র ব্যক্তি যাঁর শরীরে বিষাক্ত পদার্থ প্রবেশ করানো হয়েছিল এবং তিনি বেঁচে গেছেন।’

ক্রিস্টার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার চেষ্টায় কী ঘটেছিল, সে সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি। পেনটোবারবিটাল নামক রাসায়নিক ইনজেকশন দেওয়ার পর ঠিক কোথায় সমস্যা হয়েছিল, তা নিয়েও কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ইনজেকশন ক্রিস্টার রক্তপ্রবাহে প্রবেশ না করে তাঁর চামড়ার নিচের টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বেশি। ক্রিস্টার আইনজীবীরা আগে থেকেই সতর্ক করেছিলেন, তাঁর শরীরে থ্রম্বোসাইটোসিস (রক্ত জমাট বাঁধার অবস্থা) এবং সরু শিরা রয়েছে, যা বিষাক্ত ইনজেকশনের সময় অতিরিক্ত যন্ত্রণা সৃষ্টি করতে পারে।

ক্রিস্টার আইনজীবী দলের পরামর্শদানকারী অবেদনবিদ ডজোয়েল জাইভোট বলেছেন, বিষাক্ত ইনজেকশন দেওয়া ব্যক্তিদের অধিকাংশই মারা যায়। ক্রিস্টা ছাড়া সবাই মারা গেছেন। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি এই মুহূর্তে বলব না যে সব ঝুঁকি কেটে গেছে। এখনো অনেক অজানা বিষয় রয়েছে, যেমন পেনটোবারবিটালের কতটা তাঁর শরীরে প্রবেশ করেছিল এবং তাঁর সুস্থ হওয়ার প্রক্রিয়া কেমন হবে।’

ক্রিস্টা পাইক ১৯৯৫ সালে ১৮ বছর বয়সে তাডারিল শিপের সাথে মিলে একটি ১৯ বছর বয়সী কিশোরকে হত্যা করেছিলেন। স্থানীয় সময় আজ বুধবার নাশভিলের আদালতে ক্রিস্টার আইনজীবীদের উপস্থিতির কথা রয়েছে। তাঁরা আদালতের বাইরে একটি সংবাদ সম্মেলন করার পরিকল্পনা করেছেন।

"তাঁর শারীরিক অবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না। আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টেনেসি, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস্টা পাইক (৫০), ডেবোরা ডেনো, ডজোয়েল জাইভোট, বিল লি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর বয়স, ২০০ বছরের মধ্যে প্রথম নারী, ১৯৯৫, ১৮ বছর, ১৯ বছর, ২০২২

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖