📌 সিরিয়ার প্রাক্তন শাসকগোষ্ঠীর সদস্যরা লেবাননে আর নিরাপদ নয়। যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তাদের দেশে ফেরানোর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন সিরিয়ার বিচার মন্ত্রণালয়ের সহকারী বিচারক মুস্তাফা আল-কাসেম। লেবাননে অবস্থানরত সাবেক সামরিক কর্মকর্তা আদেল ইসাকে ইতোমধ্যেই দেশটির কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তার করেছে
বৈরুত, লেবানন – ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর নতুন সরকার প্রাক্তন শাসকগোষ্ঠীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে তৎপর হয়ে ওঠে। রাজধানী দামেস্ক পতনের আগ মুহূর্তে আসাদ ও তার ভাই মাহের দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। ফলে অনেক শীর্ষ কর্মকর্তা ও সামরিক কমান্ডার নিজেদের রক্ষায় উদ্যোগী হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরিয়ার প্রাক্তন শাসকগোষ্ঠীর সদস্যরা লেবাননে আর নিরাপদ নয় বলে ঘোষণা দিয়েছেন সিরিয়ার বিচার মন্ত্রণালয়ের সহকারী বিচারক মুস্তাফা আল-কাসেম।
- 📌 যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে প্রাক্তন শাসকগোষ্ঠীর সদস্যদের দেশে ফেরানোর জন্য আন্তর্জাতিক বিচারিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- 📌 লেবাননে অবস্থানরত সাবেক সামরিক কর্মকর্তা আদেল ইসাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে সিরিয়ায় প্রত্যার্পণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
- 📌 গত সপ্তাহে দামেস্ক আদালত আসাদ, তার ভাই মাহের ও চাচাতো ভাই আতেফ নাজিবকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে।
- 📌 সিরিয়ার প্রাক্তন বিমানবাহিনী গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান জামিল আল-হাসান লেবাননে অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দামেস্ক পতনের পর সিরিয়ার প্রাক্তন শাসকগোষ্ঠীর সদস্যরা লেবাননে আশ্রয় নেন। তবে নতুন সরকার তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ব্যবস্থা গ্রহণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। সিরিয়ার বিচার মন্ত্রণালয়ের সহকারী বিচারক মুস্তাফা আল-কাসেম বলেন, "আমরা প্রাক্তন শাসকগোষ্ঠীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের দেশে ফেরানোর জন্য আন্তর্জাতিক বিচারিক সহযোগিতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছি।"
লেবাননে অবস্থানরত সাবেক সামরিক কর্মকর্তা আদেল ইসাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। লেবাননের এক শীর্ষ প্রসিকিউটর মঙ্গলবার ঘোষণা করেন যে ইসাকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে সিরিয়ায় প্রত্যার্পণ করা হবে। ইসা সিরিয়ার দূতাবাসে কাগজপত্র সম্পন্ন করতে গিয়ে কর্তৃপক্ষের হাতে ধরা পড়েন বলে জানা গেছে।
গত সপ্তাহে দামেস্ক আদালত আসাদ, তার ভাই মাহের ও চাচাতো ভাই আতেফ নাজিবকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে। আসাদ ও মাহেরকে অনুপস্থিতিতে এই সাজা দেওয়া হয়েছে কারণ তারা মস্কোয় নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন। তাদের উপস্থিতি রাশিয়ায় থাকায় তাদের প্রত্যার্পণ সম্ভব নয়।
সিরিয়ার প্রাক্তন বিমানবাহিনী গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান জামিল আল-হাসান লেবাননে অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত বছর সিরিয়া ও ফ্রান্স লেবাননের প্রতি আল-হাসানকে গ্রেপ্তার ও প্রত্যার্পণের আহ্বান জানিয়েছিল। এছাড়া সাবেক রিপাবলিকান গার্ড কমান্ডার বাসাম আল-হাসানকে গত বছর বৈরুতের একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যমের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছিল। তিনি সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচির সাথে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।
"আমরা প্রাক্তন শাসকগোষ্ঠীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের দেশে ফেরানোর জন্য আন্তর্জাতিক বিচারিক সহযোগিতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বৈরুত, লেবানন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুস্তাফা আল-কাসেম (সিরিয়ার বিচার মন্ত্রণালয়ের সহকারী বিচারক), আদেল ইসা (সাবেক সামরিক কর্মকর্তা), বাশার আল-আসাদ (সাবেক প্রেসিডেন্ট), মাহের আল-আসাদ (সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট), আতেফ নাজিব (সাবেক কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (প্রাক্তন শাসকগোষ্ঠীর সদস্য), ১ (গ্রেপ্তারকৃত কর্মকর্তা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!