📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভূমি সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক অর্থায়নের বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী

ভূমি সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক অর্থায়নের বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী

📷 ছবি: Somoy News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 সময় নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভূমি অবক্ষয় রোধে বাংলাদেশের উদ্যোগ তুলে ধরেছেন পরিবেশমন্ত্রী। জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ কনভেনশনে তিনি বলেন, ভূমিকে অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। দেশীয় তহবিল থেকে ৪৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার ব্যয়ে খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল ফসল উদ্ভাবন ও বিতরণ করা হয়েছে

জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ কনভেনশনের (ইউএনসিসিডি) অধীনে আয়োজিত ১৭তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজের (সিওপি-১৭) ফাইন্যান্স ডে উপলক্ষে আয়োজিত ‘স্বাস্থ্যকর ভূমি ও খরা সহনশীলতায় উদ্ভাবনী অর্থায়ন ব্যবস্থা’ শীর্ষক মন্ত্রী পর্যায়ের সংলাপে বাংলাদেশের পরিবেশমন্ত্রী ভূমি সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভূমিকে পরিবেশগত ব্যয় হিসেবে নয়, বরং অর্থনৈতিক ও উন্নয়নগত অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভূমি অবক্ষয় রোধে বাংলাদেশের জাতীয় পরিকল্পনায় মাটির উর্বরতা, বনভূমি ও উপকূলীয় লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে
  • 📌 দেশীয় জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড থেকে এ পর্যন্ত ৪৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয় করা হয়েছে
  • 📌 এই তহবিলের মাধ্যমে ১২টি নতুন প্রতিকূলতা-সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন এবং ১৯ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল বীজ কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে
  • 📌 ভূমি পুনরুদ্ধারে বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে গ্যারান্টি ও মিশ্র অর্থায়নের আহ্বান জানান পরিবেশমন্ত্রী
  • 📌 আন্তর্জাতিক অর্থায়নকে জাতীয় উদ্যোগের বিকল্প নয়, বরং বিদ্যমান ঘাটতি পূরণের সহায়ক হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দেন তিনি

📰 বিস্তারিত

২৪ আগস্ট মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটরে অনুষ্ঠিত ইউএনসিসিডি সিওপি-১৭-এর ফাইন্যান্স ডে উপলক্ষে আয়োজিত সংলাপে বাংলাদেশের পরিবেশমন্ত্রী ভূমি সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অর্থায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভূমিকে শুধুমাত্র পরিবেশগত ব্যয় হিসেবে বিবেচনা করা হলে জলবায়ু সহনশীলতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। ভূমিকে অর্থনৈতিক ও উন্নয়নগত অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পরিবেশমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ভূমি অবক্ষয় রোধে জাতীয় পরিকল্পনায় মাটির উর্বরতা সংরক্ষণ, বনভূমি সম্প্রসারণ, জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণ, পাহাড়ি ভূমিক্ষয় প্রতিরোধ, উপকূলীয় লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ এবং নদীভাঙন প্রতিরোধের মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর ও জলবায়ু-সহনশীল খাতে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের জন্য ঋণ ও কৃষিঋণ-সহায়তা সম্প্রসারণের পাশাপাশি ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমি পুনরুদ্ধারে কার্যকর অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ২০০৯ সাল থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের মাধ্যমে ভূমি ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে প্রথম দিকের এ তহবিলে এ পর্যন্ত ৪৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ সংস্থান করা হয়েছে। এই অর্থায়নের মাধ্যমে ১২টি নতুন প্রতিকূলতা-সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে এবং কৃষকদের মধ্যে ১৯ হাজার ৪০০ মেট্রিক টনের বেশি খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল বীজ বিতরণ করা হয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান চাহিদার তুলনায় তহবিলের বার্ষিক বরাদ্দ অপর্যাপ্ত।

পরিবেশমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অর্থায়নকে জাতীয় উদ্যোগের বিকল্প হিসেবে নয়, বরং বিদ্যমান অর্থায়ন-ঘাটতি পূরণের সহায়ক হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দেন। তিনি ঋণের বিনিময়ে প্রকৃতি ও জলবায়ু সংরক্ষণ, ভূমি পুনরুদ্ধারের জন্য সবুজ বন্ড প্রদান এবং বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির নিয়ন্ত্রিত পুনর্ভরণসহ বিভিন্ন উদ্ভাবনী অর্থায়ন ব্যবস্থার প্রস্তাব করেন। এ ধরনের অর্থায়নের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন তিনি।

"আন্তর্জাতিক অর্থায়নকে জাতীয় উদ্যোগের বিকল্প হিসেবে নয়, বিদ্যমান অর্থায়ন-ঘাটতি পূরণের সহায়ক হিসেবে কাজ করতে হবে। ভূমি অর্থায়ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রান্তিক অবস্থান থেকে কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসতে হবে।"

আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, উজানের পানিপ্রবাহের পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের মতো বদ্বীপ রাষ্ট্রে লবণাক্ততা ও খরার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে অভিন্ন নদী অববাহিকার দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টন জোরদার এবং পানি-সংকট ও ভূমি অবক্ষয়সংক্রান্ত তথ্য বিনিময়ে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সহযোগিতা দিতে এবং গ্রহণ করতে প্রস্তুত।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মঙ্গোলিয়ার উলানবাটর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশের পরিবেশমন্ত্রী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, ১২টি ফসলের জাত, ১৯ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন বীজ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖