📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কলকাতার হোটেল শিখা-ইনের মালিক পালিয়ে গিয়ে গ্রেপ্তার, নয়জন নিহত অগ্নিকাণ্ডে

কলকাতার হোটেল শিখা-ইনের মালিক পালিয়ে গিয়ে গ্রেপ্তার, নয়জন নিহত অগ্নিকাণ্ডে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কলকাতার হোটেল শিখা-ইনের মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে অগ্নিকাণ্ডের পর পালিয়ে যাওয়ার কারণে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নয়জন নিহত হন, যাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশের। ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র না থাকায় হোটেলটি বিধিবহির্ভূত ছিল

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা-ইনের মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে শনিবার গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর তিনি ঝাড়খন্ডের ধানবাদে পালিয়ে গিয়েছিলেন। পরে কলকাতায় ফিরে আসার পর পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কলকাতার হোটেল শিখা-ইনের মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
  • 📌 গত মঙ্গলবার রাতে অগ্নিকাণ্ডে নয়জন নিহত হন, যাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশের
  • 📌 হোটেলটির ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র ছিল না বলে জানা গেছে
  • 📌 পালিয়ে যাওয়ার পর তাঁর দুটি ব্যাংক হিসাব বন্ধ করে দেওয়া হয়
  • 📌 কলকাতা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও পৌর করপোরেশন মিলে অন্তত ৫০টি হোটেল পরিদর্শন করেছে

📰 বিস্তারিত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটে অবস্থিত হোটেল শিখা-ইনের মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে শনিবার গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হোটেলটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় নয়জন পর্যটক ও কর্মী নিহত হন। তাঁদের মধ্যে সাতজনের বাড়ি বাংলাদেশে। নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার এক সাংবাদিক ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্য রয়েছেন বলে জানা গেছে।

অগ্নিকাণ্ডের পর বীরেশ্বর মিত্র ঝাড়খন্ডের ধানবাদে পালিয়ে গিয়েছিলেন। পরে কলকাতায় ফিরে আসেন। তাঁর দুটি ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে নগদ অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় তিনি কলকাতায় ফিরতে বাধ্য হন। বাড়িতে ফিরলে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

এদিকে এই অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস বিভাগ ও কলকাতা পৌর করপোরেশন মিলে অন্তত ৫০টি হোটেল ও গেস্টহাউসে পরিদর্শন চালায়। এসব হোটেল বিধি না মানায় তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উপযুক্ত জবাব না দিলে লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

পরিদর্শনের আওতায় থাকা হোটেলগুলোর মধ্যে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ১৭টি, মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৩টি, মারকুইস স্ট্রিটের ১৫টি, এস এন ব্যানার্জি রোডের ১টি এবং তপশিয়ার ১টি হোটেল রয়েছে। কোনো কোনো হোটেল-গেস্টহাউস বন্ধ করে দেওয়ারও নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

"অগ্নিকাণ্ডের পর পালিয়ে যাওয়ার কারণে তাঁর ব্যাংক হিসাব বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে তিনি কলকাতায় ফিরতে বাধ্য হন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বীরেশ্বর মিত্র (হোটেল শিখা-ইনের মালিক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০টি (পরিদর্শিত হোটেল), ২৪ ঘণ্টা (সময়সীমা), ৯ জন (নিহত), ৭ জন (বাংলাদেশি নিহত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖