📌 কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় বাংলাদেশি নিহত হন। উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া দমকল কর্মীরা ঘন ধোঁয়ার কারণে প্রাথমিকভাবে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি বলে পুলিশ জানিয়েছে
কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটে অবস্থিত শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। রাত ২টার দিকে শুরু হওয়া আগুনে নয় বাংলাদেশি নিহত হন বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ। ঘটনায় আরো অনেকে আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার শিখা ইন হোটেলে রাত ২টার দিকে আগুন লাগে
- 📌 অগ্নিকাণ্ডে নয় বাংলাদেশি নিহত হন, যাদের মধ্যে দুইজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে
- 📌 উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া দমকল কর্মীরা ঘন ধোঁয়ার কারণে প্রাথমিকভাবে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি
- 📌 হোটেল থেকে মোট ৬০ জনকে উদ্ধার করা হয়, যাদের নয়জনকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়
- 📌 ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, আগুনের সূত্রপাত হতে পারে চার তলা থেকে
📰 বিস্তারিত
কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটে অবস্থিত শিখা ইন হোটেলে রাত ২টার দিকে আগুন লাগে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, হোটেলের চার তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। এছাড়া এয়ার কন্ডিশনিং বিস্ফোরণের কারণে আগুনের সূত্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার সময় হোটেলে অবস্থানরতদের উদ্ধারে প্রাথমিকভাবে কয়েকজন দমকল কর্মী অংশ নেন। পরে স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলও উদ্ধারকাজে যোগ দেয়। কলকাতা পুলিশের বিবৃতিতে জানানো হয়, আগুনের খবর পাওয়ার পর হোটেল প্রাঙ্গন থেকে মোট ৬০ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে নয়জনকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়, যাদের মধ্যে দুইজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
"ঘন ধোঁয়ার কারণে শুরুতে দমকল কর্মীরা ভেতরে যেতে পারছিলো না।"
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল বা এএনআই জানিয়েছে, মৃতদের সবাই বাংলাদেশি ছিলেন এবং তারা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন। পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে জানিয়েছেন, মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিট, শিখা ইন হোটেল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কলকাতা পুলিশ, দমকল কর্মী, মৃত বাংলাদেশিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: নয়জন মৃত, ৬০ জন উদ্ধার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!