📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কলকাতার ঘিঞ্জি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি: পুরোনো ভবনে নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা

কলকাতার ঘিঞ্জি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি: পুরোনো ভবনে নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জন নিহত হন, যাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি পর্যটক ছিলেন। পুরোনো ভবনের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি ও নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন

কলকাতার জনবহুল মির্জা গালিব স্ট্রিটে অবস্থিত একটি পুরোনো ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জন নিহত হন। ঘটনায় সাতজন বাংলাদেশি পর্যটকসহ দুইজন হোটেল কর্মীও প্রাণ হারান। দুর্ঘটনাটি ঘটে মধ্য কলকাতার এই ঘিঞ্জি এলাকায়, যেখানে একাধিক হোটেল একই ভবনে গড়ে উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটে পুরোনো ভবনে আগুন লেগে নয়জন নিহত হন, যাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি পর্যটক ছিলেন
  • 📌 দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে দুইজন ছিলেন হোটেল কর্মী, যারা ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা
  • 📌 ভবনটিতে একাধিক হোটেল থাকলেও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার মারাত্মক ঘাটতি ছিল
  • 📌 রাজ্যের নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, ট্রেড ও ফায়ার লাইসেন্সের নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • 📌 অগ্নিনির্বাপণ দফতর এলাকার ১৭টি হোটেলের বিরুদ্ধে শো-কজ নোটিশ জারি করেছে

📰 বিস্তারিত

মির্জা গালিব স্ট্রিট কলকাতার একটি ব্যস্ত এলাকা, যেখানে পার্ক স্ট্রিট ও ধর্মতলার মতো জনপ্রিয় স্থান রয়েছে। এই রাস্তায় একাধিক পুরোনো ভবনে একাধিক হোটেল গড়ে উঠেছে। ভবনগুলোর বেশিরভাগ জানালা লোহার গ্রিল দিয়ে বন্ধ থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি। এছাড়া বৈদ্যুতিক তারগুলো ঢিলেঢালাভাবে ঝুলে থাকায় তা আগুনের কারণ হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

রাজ্যের নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, একটি তিনতলা ভবনে দশটি হোটেল চলছে এবং ঘরগুলো অত্যন্ত ছোট। তিনি বলেন, "দেখতে হবে, এই ধরনের হোটেল যারা চালাচ্ছেন, তাদের ট্রেড লাইসেন্স এবং ফায়ার লাইসেন্স রয়েছে কি না। একটি মাত্র তিনতলা বিল্ডিংয়ে ১০টি হোটেল চলছে। ঘরগুলোও অত্যন্ত ছোট। এভাবে চলতে পারে না। কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

অগ্নিনির্বাপণ দফতরের প্রাক্তন মহানির্দেশক জগৎমোহন ভগৎ বিবিসিকে জানান, কলকাতার পুরোনো ভবনগুলোতে সাধারণত একটি মাত্র সিঁড়ি থাকে। তিনি বলেন, "প্রায় সব পুরোনো বহুতলেই একটি মাত্র সিঁড়ি থাকে। সেটি যদি কোনোভাবে বন্ধ থাকে, তাহলে অনেক সমস্যা তৈরি হয়। তখন মানুষ ছাদেও যেতে পারেন না। কখনও পুরোনো জিনিসপত্র বা আসবাবও সেখানে রাখা থাকে, যা বেরোনোর পথ আটকে দেয়।"

তিনি আরও জানান, কলকাতার অনেক ভবন ৭০ থেকে ৮০ বছরের পুরোনো। এগুলো এমন সময়ে তৈরি হয়েছিল, যখন ওয়েস্ট বেঙ্গল ফায়ার সার্ভিসেস অ্যাক্ট, ১৯৫০ প্রযোজ্য হয়নি। তিনি বলেন, "কলকাতার অনেক বাড়ি ৭০ থেকে ৮০ বছরের পুরোনো। এগুলো এমন সময়ে তৈরি হয়েছিল, যখন ওয়েস্ট বেঙ্গল ফায়ার সার্ভিসেস অ্যাক্ট, ১৯৫০, প্রযোজ্য হয়নি। বড়বাজার বা নিউ মার্কেটের মতো জায়গার পুরোনো ভবনগুলো অগ্নিনিরাপত্তার জন্য উপযুক্তভাবে তৈরি নয়। কলকাতার পুরোনো বহুতলগুলোর চরিত্রই এমন। ওগুলোতে এখন সম্পূর্ণ অগ্নিনিরাপত্তা বিধি মানতে গেলে মানুষেরও সমস্যা তৈরি হতে পারে।"

"দেখতে হবে, এই ধরনের হোটেল যারা চালাচ্ছেন, তাদের ট্রেড লাইসেন্স এবং ফায়ার লাইসেন্স রয়েছে কি না। একটি মাত্র তিনতলা বিল্ডিংয়ে ১০টি হোটেল চলছে। ঘরগুলোও অত্যন্ত ছোট। এভাবে চলতে পারে না। কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অগ্নিমিত্রা পাল (রাজ্যের নগরোন্নয়ন মন্ত্রী), জগৎমোহন ভগৎ (অগ্নিনির্বাপণ দফতরের প্রাক্তন মহানির্দেশক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: নয়জন নিহত, সাতজন বাংলাদেশি পর্যটক, দুইজন হোটেল কর্মী, দশটি হোটেল একটি ভবনে, ১৭টি হোটেলের বিরুদ্ধে শো-কজ নোটিশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖