📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইতালির সাগরতলে ২ হাজার বছরের পুরোনো রোমান জাহাজের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার

ইতালির সাগরতলে ২ হাজার বছরের পুরোনো রোমান জাহাজের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইতালির সিসিলি দ্বীপের উপকূলে সমুদ্রের ৪৬ মিটার গভীরে পাওয়া গেছে প্রায় ২ হাজার বছরের পুরোনো রোমান বাণিজ্যিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ। শত শত অ্যাম্ফোরাসহ জাহাজটির ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্যের নতুন তথ্য উন্মোচিত হতে পারে

ইতালির সিসিলি দ্বীপের মাজারা দেল ভাল্লোর উপকূলে সমুদ্রের ৪৬ মিটার গভীরে প্রায় ২ হাজার বছরের পুরোনো রোমান বাণিজ্যিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে। জেলে জিয়াকোমো দে মোলা ও তাঁর সহকর্মী ইগর বিসুল্লি মাছ ধরার সময় এই ঐতিহাসিক নিদর্শনটির সন্ধান পান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইতালির সিসিলি দ্বীপের উপকূলে সমুদ্রের ৪৬ মিটার গভীরে পাওয়া গেছে প্রায় ২ হাজার বছরের পুরোনো রোমান জাহাজের ধ্বংসাবশেষ
  • 📌 জেলে জিয়াকোমো দে মোলা ও ইগর বিসুল্লি মাছ ধরার সময় এই আবিষ্কার করেন
  • 📌 ধ্বংসাবশেষে শত শত অ্যাম্ফোরা স্তূপাকারে জমা রয়েছে, যার উচ্চতা প্রায় ৭ ফুট
  • 📌 জাহাজটির ধ্বংসাবশেষ থেকে পাওয়া গেছে সিসার তৈরি দুটি নোঙরের দণ্ড ও আরও একটি কাঠামো
  • 📌 ইতালির সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এই আবিষ্কারকে সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক প্রত্নতাত্ত্বিক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে

📰 বিস্তারিত

ইতালির সিসিলি দ্বীপের মাজারা দেল ভাল্লোর উপকূলে জেলে জিয়াকোমো দে মোলা ও তাঁর সহকর্মী ইগর বিসুল্লি মাছ ধরছিলেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪০ থেকে ৫০ মিটার নিচে ডুব দেওয়ার সময় তাঁরা একটি বিশাল কালো বস্তু দেখতে পান, যা প্রথমে তাঁদের কাছে পাথর বলে মনে হয়েছিল। দে মোলা আরও কাছে গিয়ে দেখেন, এটি আসলে শত শত প্রাচীন মাটির পাত্র। পরে বিষয়টি সিসিলির আঞ্চলিক সমুদ্রবিষয়ক প্রত্নতত্ত্ব কর্তৃপক্ষ ও কারাবিনিয়েরির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা দলকে জানানো হয়।

তাদের যাচাইয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, এটি খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় থেকে প্রথম শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ের রোমান বাণিজ্যিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ। সমুদ্রের ৪৬ মিটার গভীরে স্তূপাকারে থাকা এই পাত্রগুলোর উচ্চতা প্রায় ৭ ফুট। পুরো স্তূপটি ২০ মিটারের বেশি লম্বা ও প্রায় ৬ মিটার চওড়া জায়গাজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে।

অ্যাম্ফোরাগুলো মূলত প্রাচীনকালে পানীয় ও জলপাইয়ের তেল পরিবহনে ব্যবহৃত হতো। ইতালির সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আবিষ্কৃত অধিকাংশ পাত্রই ‘ড্রেসেল ১এ’ ধরনের, যা প্রাচীন ইতালিতে তৈরি হতো। এছাড়া কিছু পাত্র উত্তর আফ্রিকায় ব্যবহৃত হতো। এছাড়াও আরও পুরোনো একটি নিও-পিউনিক অ্যাম্ফোরাও পাওয়া গেছে।

"ওখানে কী আছে, তুমি কল্পনাও করতে পারবে না!" — জেলে জিয়াকোমো দে মোলা তাঁর সহকর্মী ইগর বিসুল্লিকে বলেছিলেন।

জাহাজটির ধ্বংসাবশেষ থেকে সিসার তৈরি দুটি নোঙরের দণ্ড ও আরও একটি কাঠামো পাওয়া গেছে। ইতালির সংস্কৃতিমন্ত্রী আলেসান্দ্রো জিউলি এই আবিষ্কারকে সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, অ্যাম্ফোরার ভারী স্তূপ জাহাজটির কাঠের মূল কাঠামোকে তুলনামূলকভাবে অক্ষত অবস্থায় সংরক্ষণ করতে সাহায্য করেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিসিলি দ্বীপ, ইতালি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিয়াকোমো দে মোলা, ইগর বিসুল্লি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার বছর, ৪৬ মিটার, ৭ ফুট, ২০ মিটার, ৬ মিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖