📌 পুঁজিবাজারের স্টক ব্রোকারদের সংগঠন ডিবিএ ২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মূলধনি মুনাফায় কর অব্যাহতি চেয়েছে। বিনিয়োগ আকর্ষণ ও বাজারে তারল্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে বাংলাদেশের স্টক ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) ২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মূলধনি মুনাফায় পূর্ণ কর অব্যাহতি চেয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সংগঠনটি অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের কাছে প্রস্তাব পেশ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিবিএ ২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মূলধনি মুনাফায় কর অব্যাহতি চেয়েছে
- 📌 বর্তমানে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত মূলধনি মুনাফায় কর অব্যাহতি, অতিরিক্ত মুনাফায় ১৫% কর প্রযোজ্য
- 📌 প্রস্তাব অনুযায়ী, স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সম্পন্ন লেনদেনের মূলধনি মুনাফা করমুক্ত করা যেতে পারে
- 📌 সিসিবিএল-এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হওয়া পর্যন্ত কর অব্যাহতি প্রযোজ্য থাকবে
- 📌 ডিবিএ’র প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেছেন, বিনিয়োগবান্ধব করব্যবস্থা নিশ্চিত করলে পুঁজিবাজারে আস্থা বৃদ্ধি পাবে
📰 বিস্তারিত
ডিবিএ’র সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত মূলধনি মুনাফায় কর অব্যাহতি রয়েছে। এর অতিরিক্ত মুনাফার ওপর সাধারণভাবে ১৫ শতাংশ কর প্রযোজ্য। সংগঠনটি ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের জন্য পূর্ণ কর অব্যাহতি পুনর্বহাল এবং বিদেশি ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে করব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছে।
ডিবিএ’র মতে, এই উদ্যোগের ফলে পুঁজিবাজারে লেনদেন বৃদ্ধি, মুনাফার পুনর্বিনিয়োগ, দেশীয় সঞ্চয়ের উৎপাদনশীল ব্যবহার এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির ইকুইটি অর্থায়ন বাড়তে পারে। প্রস্তাব অনুযায়ী, আয়কর আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধন করে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সম্পন্ন এবং নির্ধারিত কেন্দ্রীয় ডিপোজিটরি ব্যবস্থায় নিষ্পত্তি হওয়া যোগ্য লেনদেনের মূলধনি মুনাফা করমুক্ত করা যেতে পারে। তবে স্পনসর, পরিচালক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ওপর বিদ্যমান করব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছে ডিবিএ।
সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল) পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম শুরু করলে মূলধনি মুনাফা নিরূপণ ও কর হিসাবের প্রক্রিয়া সহজ হবে বলে মনে করে ডিবিএ। এই বিবেচনায়, সিসিবিএল-এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ ২০৩০ সাল পর্যন্ত মূলধনি মুনাফার ওপর কর অব্যাহতি চেয়েছে সংগঠনটি।
"বিনিয়োগবান্ধব করব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে পুঁজিবাজারে আস্থা, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির অর্থায়নের সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে এটি পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও সহায়ক হবে।"
ডিবিএ’র প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেছেন, ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব করব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে পুঁজিবাজারে আস্থা, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির অর্থায়নের সুযোগ বাড়বে। সংগঠনটি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রস্তাবটি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, তানভীর শাহরিয়ার গনি, মাসুদ খান, আহসান হাবিব, সাইফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ লাখ টাকা, ১৫ শতাংশ, ২৮ অক্টোবর, ৩১ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!