📌 তাইওয়ানের ডাকটিকিটে প্রকাশিত চারটি প্রাচীন চীনা গল্পে মা-ছেলের অমর ভালোবাসার কথা। কনফুসিয়াসের নৈতিক আদর্শের আলোকে গল্পগুলোতে দেখা যায়, সন্তানের দায়িত্ব ও মায়ের প্রতি অগাধ ভালোবাসা। ১৯৭১ সালে প্রকাশিত এই ডাকটিকিটের গল্পগুলো আজও তাইওয়ানের সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব ফেলছে
তাইওয়ানের ডাকটিকিটে প্রকাশিত চারটি প্রাচীন চীনা গল্পে মা-ছেলের অমর ভালোবাসার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এই গল্পগুলোতে কনফুসিয়াসের নৈতিক আদর্শের আলোকে সন্তানের দায়িত্ব ও মায়ের প্রতি অগাধ ভালোবাসার কথা বর্ণিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে প্রকাশিত এই ডাকটিকিটের গল্পগুলো তাইওয়ানের সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব ফেলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **শুনের গল্প**: পশুপাখির সাহায্যে জমি চাষ করে রাজা ইয়াও শুনকে সিংহাসনে বসান। তার মা-বাবার প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও ভালো কাজের জন্য রাজা তাকে রাজা ঘোষণা করেন।
- 📌 **ছাইয়ের গল্প**: যুদ্ধকালীন খাদ্য অভাবের সময় ছাই মায়ের জন্য পাকা ফল রেখে নিজে কাঁচা ফল খেয়ে ডাকাতদের মন জয় করেন। তারা তাকে তিন মণ চাল ও গরুর একটি পা উপহার দেন।
- 📌 **শেনের গল্প**: মায়ের আঙুল কামড়ানোর শব্দ শুনে পাহাড় থেকে দ্রুত ফিরে আসেন শেন। মায়ের প্রতি তার অমিত ভালোবাসা ও দায়িত্বের কথা এই গল্পে তুলে ধরা হয়েছে।
- 📌 **ঝংয়ের গল্প**: শীতকালে বাঁশের কুঁড়ি খুঁজে পান না ঝং। কিন্তু তার কাঁদার জলে মাটি থেকে বাঁশের কুঁড়ি বেরিয়ে আসে। মায়ের জন্য স্যুপ রান্না করে তার অসুস্থতা দূর হয়।
- 📌 **তাইওয়ানের ডাকটিকিটে**: ১৯৭১ সালে প্রকাশিত এই চারটি গল্পের মাধ্যমে তাইওয়ান চীনের প্রাচীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আজও বজায় রাখছে।
📰 বিস্তারিত
তাইওয়ান প্রণালির অপর পাড়ে অবস্থিত তাইওয়ান দ্বীপের মানুষের মুখে মুখে এখনো ফেরে প্রাচীন চীনের নানা লোকগল্প। এই গল্পগুলোতে মা-ছেলের মনের টান ও সন্তানের দায়িত্বের কথা বর্ণিত হয়েছে। বিশেষ করে কনফুসিয়াসের নৈতিক আদর্শের আলোকে এই গল্পগুলোতে সন্তানের মায়ের প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও দায়িত্বের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
১৯৭১ সালে তাইওয়ানের ডাকটিকিটে প্রকাশিত চারটি গল্পের মধ্যে প্রথমটি শুনের গল্প। শুন নামের এক কিশোর তার মা-বাবাকে খুব ভালোবাসত। তার বাবা একগুঁয়ে ছিলেন, কিন্তু শুন কারও ওপর রাগ করত না। একদিন পাহাড়ের কাছে জমিতে চাষ করছিল শুন। হঠাৎ কোথা থেকে একদল হাতি এসে তার সাহায্য করতে লাগল। পাখিরাও তার কাজে সহায়তা করল। এই আশ্চর্য ঘটনার খবর রাজা ইয়াওয়ের কানে পৌঁছায়। রাজা শুনকে তার মেয়ের বিয়ে দেন এবং তাকে সিংহাসনে বসান।
দ্বিতীয় গল্পে ছাই নামের এক ছেলের কথা বলা হয়েছে। তার বাবা মারা গেলে মায়ের যত্নে তার সংসার। যুদ্ধকালীন খাদ্য অভাবের সময় ছাই মায়ের জন্য পাকা ফল রেখে নিজে কাঁচা ফল খেয়ে ডাকাতদের মন জয় করেন। তারা তাকে তিন মণ চাল ও গরুর একটি পা উপহার দেন।
তৃতীয় গল্পে শেনের কথা বলা হয়েছে। শেনের মায়ের আঙুল কামড়ানোর শব্দ শুনে পাহাড় থেকে দ্রুত ফিরে আসেন শেন। মায়ের প্রতি তার অমিত ভালোবাসা ও দায়িত্বের কথা এই গল্পে তুলে ধরা হয়েছে।
চতুর্থ গল্পে ঝংয়ের কথা বলা হয়েছে। শীতকালে বাঁশের কুঁড়ি খুঁজে পান না ঝং। কিন্তু তার কাঁদার জলে মাটি থেকে বাঁশের কুঁড়ি বেরিয়ে আসে। মায়ের জন্য স্যুপ রান্না করে তার অসুস্থতা দূর হয়।
"দেখো, দেখো! শুন কত ভালো মানুষ! মা–বাবাকে এত ভালোবাসে বলেই বনের পশুপাখিরাও তাকে ভালোবাসে!"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তাইওয়ান, চীন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শুন, ছাই, শেন, ঝং, রাজা ইয়াও
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ (রাজা ইয়াওয়ের ৯ ছেলে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!