📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্রিটেনকে ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র’ আখ্যায়িত করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য

ব্রিটেনকে ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র’ আখ্যায়িত করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাজ্যকে ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র অব ব্রিটেন’ হিসেবে অভিহিত করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। ব্রিটিশ ইহুদি সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন মহলে সমালোচিত এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কে টানাপোড়েন বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাজ্যকে ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র অব ব্রিটেন’ হিসেবে অভিহিত করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ইসরায়েলি পডকাস্ট ‘মেলেখ ব্লিৎজার হাইম’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু ব্রিটিশ গণমাধ্যমে ইসরায়েলের কভারেজের সমালোচনা করেন। ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েলের ইতিবাচক প্রচারণার জন্য ব্রিটিশ লেখক র‍্যান্ডলফ চার্চিলের ভূয়সী প্রশংসা করে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আজকের ব্রিটেনে তা খুঁজে পাওয়া যাবে না, যা আপনি বলতে পারেন ইসলামিক প্রজাতন্ত্র অব ব্রিটেন।’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাজ্যকে ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র অব ব্রিটেন’ হিসেবে অভিহিত করেন
  • 📌 নেতানিয়াহু ব্রিটিশ গণমাধ্যমে ইসরায়েলের নেতিবাচক প্রচারণার সমালোচনা করেন
  • 📌 ব্রিটিশ ইহুদি সম্প্রদায় নেতানিয়াহুর মন্তব্যকে ঘৃণ্য ও বিভাজনমূলক বলে অভিহিত করে
  • 📌 যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেরের মুখ্য কর্মকর্তা গ্যাভিন বারওয়েল নেতানিয়াহুর মন্তব্যকে ‘স্পষ্ট ইসলামভীতি’ হিসেবে বর্ণনা করেন
  • 📌 ২০২৪ সালে যুক্তরাজ্যে লেবার পার্টি ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্কে টানাপোড়েন বৃদ্ধি পেয়েছে

📰 বিস্তারিত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাজ্যকে ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র অব ব্রিটেন’ হিসেবে অভিহিত করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ইসরায়েলি পডকাস্ট ‘মেলেখ ব্লিৎজার হাইম’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু ব্রিটিশ গণমাধ্যমে ইসরায়েলের কভারেজের সমালোচনা করেন। তিনি ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েলের ইতিবাচক প্রচারণার জন্য ব্রিটিশ লেখক র‍্যান্ডলফ চার্চিলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। নেতানিয়াহু বলেন, ‘আজকের ব্রিটেনে তা খুঁজে পাওয়া যাবে না, যা আপনি বলতে পারেন ইসলামিক প্রজাতন্ত্র অব ব্রিটেন।’

নেতানিয়াহু আরও উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাজ্যকে প্রথম পারমাণবিক অস্ত্রধারী ‘ইসলামিক রাষ্ট্র’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কেউ বলেছিলেন যে প্রথম ইসলামিক প্রজাতন্ত্র যার পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে তা হবে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র অব ব্রিটেন।’ নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘আমরা ইরানে তা যাতে না ঘটে সেজন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

ব্রিটিশ ও আইরিশ ইহুদি সম্প্রদায় নেতানিয়াহুর মন্তব্যকে ঘৃণ্য ও বিভাজনমূলক বলে অভিহিত করেছে। ‘আমাদের দেশজুড়ে ইহুদিবিদ্বেষ, মুসলিমবিদ্বেষ এবং সামাজিক বিভাজনের কারণে যখন প্রকৃত ভয় বিরাজ করছে, তখন এমন ভাষা বিপজ্জনক ও দায়িত্বহীন,’ বলেন র‍্যাবাই চার্লি ব্যাগিনস্কি ও র‍্যাবাই জশ লেভ। তারা আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ব্রিটিশ ইহুদিদের প্রতিনিধিত্ব করেন না। তার কথা আমাদের প্রতিনিধিত্ব করে না।’

"আমাদের দেশজুড়ে ইহুদিবিদ্বেষ, মুসলিমবিদ্বেষ এবং সামাজিক বিভাজনের কারণে যখন প্রকৃত ভয় বিরাজ করছে, তখন এমন ভাষা বিপজ্জনক ও দায়িত্বহীন। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ব্রিটিশ ইহুদিদের প্রতিনিধিত্ব করেন না। তার কথা আমাদের প্রতিনিধিত্ব করে না।"

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেরের মুখ্য কর্মকর্তা গ্যাভিন বারওয়েল নেতানিয়াহুর মন্তব্যকে ‘স্পষ্ট ইসলামভীতি’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি এক্স প্ল্যাটফর্মে লেখেন, ‘আশা করি এখন সবাই এই ভান ছেড়ে দেবে যে এই ব্যক্তি ব্রিটেনের কোনো বন্ধু।’

২০২৪ সালে যুক্তরাজ্যে লেবার পার্টি ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্কে টানাপোড়েন বৃদ্ধি পেয়েছে। সাবেক লেবার প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমারের অধীনে যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করে এবং কিছু অস্ত্র রপ্তানি লাইসেন্স স্থগিত করে। ফ্রান্সের মতো যুক্তরাজ্যও চরমপন্থি ইসরায়েলি মন্ত্রী ইত্তামার বেন-গভির ও বেজালেল স্মোট্রিচের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। গত বছর যুক্তরাজ্য ফ্রান্স, কানাডাসহ মিত্রদের সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম সম্প্রতি গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের প্রতি লেবার পার্টির প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার জন্য ক্ষমা চান। তিনি বলেন, ‘এ কারণেই আমাদের আরও বেশি কিছু করা প্রয়োজন, যার মধ্যে গাজায় সহিংসতায় জড়িতদের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং অবৈধ বসতিতে পণ্য বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাজ্য, ইসরায়েল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, অ্যান্ডি বার্নহাম, গ্যাভিন বারওয়েল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖