📌 ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির গাজায় প্রতি রাতে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জনকে হত্যার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে
ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির গাজায় প্রতি রাতে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জনকে হত্যা করার আহ্বান জানিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গতকাল রোববার প্রকাশ্যে আসা এক পডকাস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলি মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির গাজায় প্রতি রাতে ৩০ থেকে ৪০ জনকে হত্যার আহ্বান জানান
- 📌 তিনি বলেন, গাজায় এমন মানুষ রয়েছে যারা বেঁচে থাকার যোগ্য নয়
- 📌 ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য ব্যক্তিগতভাবে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন
- 📌 গাজায় স্থায়ীভাবে ফিলিস্তিনিদের চলে যাওয়ার পক্ষে মত দেন
- 📌 তাঁর মন্তব্য আন্তর্জাতিক আইনের বিরুদ্ধে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন
📰 বিস্তারিত
ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির গাজায় প্রতি রাতে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জনকে হত্যা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। গতকাল রোববার প্রকাশ্যে আসা এক পডকাস্টে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন সাবেক ইসরায়েলি বন্দি রোম ব্রাসলাভস্কি।
বেন-গভির বলেন, গাজায় এমন মানুষ রয়েছে যারা বেঁচে থাকার যোগ্য নয়। তিনি আরও বলেন, ‘তারা আদৌ মানুষও নয়।’ তাঁর মন্তব্য ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যার আহ্বান হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তিনি গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ড চালানোর পক্ষে মত দেন।
বেন-গভির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তিনি ইসরায়েলের পুলিশ ও কারা ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন। আগামী ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে।
বেন-গভির ব্রাসলাভস্কিকে বলেন, গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করে তিনি লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ড চালানোর পক্ষে মত দেন। তিনি আরও বলেন, গাজায় স্থায়ীভাবে ফিলিস্তিনিদের চলে যাওয়ার পক্ষে মত দেন এবং নতুন করে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের আহ্বান জানান।
"পুরো গাজাই আমাদের।" — ইতামার বেন-গভির
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইতামার বেন-গভির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ থেকে ৪০ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!