📌 ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী গাজায় প্যালেস্টাইনিদের বিতাড়িত করছে এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর সতর্ক করেছে যে এই কার্যকলাপ ‘গাজা থেকে প্যালেস্টাইনিদের বিতাড়ন’-এর দিকে পরিচালিত করছে। গত দুই সপ্তাহে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী ‘ইয়েলো লাইন’-এর পশ্চিমে প্যালেস্টাইনিদের বসতি স্থাপনের চেষ্টা বন্ধ করেছে।
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান প্যালেস্টাইনিদের বিতাড়নের ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর (OHCHR) সতর্ক করেছে যে ইসরায়েলের বাহিনী গাজার সীমিত অঞ্চলে প্যালেস্টাইনিদের বিতাড়িত করছে এবং এই কার্যকলাপ ‘গাজা থেকে প্যালেস্টাইনিদের বিতাড়ন’-এর দিকে পরিচালিত করছে। জাতিসংঘের এই ঘোষণা শুক্রবার প্রকাশিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী গাজার ‘ইয়েলো লাইন’-এর পশ্চিমে প্যালেস্টাইনিদের বসতি স্থাপনের চেষ্টা বন্ধ করেছে এবং এই অঞ্চলকে ‘হত্যা অঞ্চল’ হিসেবে ব্যবহার করছে।
- 📌 গত দুই সপ্তাহে শুজায়িয়া, গাজা শহর, পূর্ব বুরেইজ, পূর্ব দের আল-বালাহ এবং পূর্ব আল-মাঘাজি অঞ্চলে প্যালেস্টাইনিদের বিতাড়িত হয়েছে।
- 📌 শুজায়িয়া অঞ্চলে ইসরায়েলের আক্রমণে ২০০ পরিবার (৮০০ জন) বিতাড়িত হয়েছে, যেখানে একটি শিবিরে ড্রোন হামলায় আগুন লাগে।
- 📌 জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের প্রধান অজিথ সঙ্ঘায় বলেছেন, গাজায় ‘বিতাড়নের নিরন্তর কষ্ট’ ‘অত্যন্ত তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী’।
- 📌 ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী গাজার ৭০ শতাংশ অঞ্চল দখল করার লক্ষ্যে অব্যাহত আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে।
- 📌 বর্তমান বন্ধুত্বপূর্ণ বন্ধন (সেসফায়ার) শুরু হওয়ার পর থেকে ১,৫৭৪ জন নিহত এবং ৫,৬৮৭ জন আহত হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর (OHCHR) জানিয়েছে, ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী গাজার ‘ইয়েলো লাইন’-এর পশ্চিমে প্যালেস্টাইনিদের বসতি স্থাপনের চেষ্টা বন্ধ করেছে। এই অঞ্চলকে তারা ‘হত্যা অঞ্চল’ হিসেবে ব্যবহার করছে, যার ফলে প্যালেস্টাইনিরা তাদের বাড়ি-ঘর থেকে ফিরে আসতে পারছে না। OHCHR-এর মতে, ইসরায়েলের বাহিনী গাজার বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করছে এবং বিতাড়িত প্যালেস্টাইনিদের শিবিরগুলিতে আক্রমণ করছে।
গত দুই সপ্তাহে শুজায়িয়া, গাজা শহর, পূর্ব বুরেইজ, পূর্ব দের আল-বালাহ এবং পূর্ব আল-মাঘাজি অঞ্চলে প্যালেস্টাইনিদের বিতাড়িত হয়েছে। শুজায়িয়া অঞ্চলে দুটি ইসরায়েলি আক্রমণে বিতাড়িত শিবিরে রোবট বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এই আক্রমণে শুজায়িয়া জংশনে অবস্থিত একটি টেন্টে ইসরায়েলি ড্রোন বোমা ফেলে। গাজার জনশক্তি ও বাসস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই আক্রমণে ২০০ পরিবার (৮০০ জন) বিতাড়িত হয়েছে।
OHCHR-এর প্রধান অজিথ সঙ্ঘায় বলেছেন, গাজায় ‘বিতাড়নের নিরন্তর কষ্ট’ ‘অত্যন্ত তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী’। তিনি বলেছেন, সেসফায়ারের ঘোষণা দেওয়ার আগে বিতাড়িত প্যালেস্টাইনিরা তাদের ছেড়ে আসা অঞ্চলে ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই, কারণ এই অঞ্চলগুলি ‘ইয়েলো লাইন’-এর পশ্চিমে অবস্থিত এবং অ্যাক্সেসযোগ্য নয়।
সেসফায়ারের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে, ইসরায়েলের আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেসফায়ারের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে ১,৫৭৪ জন নিহত এবং ৫,৬৮৭ জন আহত হয়েছে। গাজায় ইসরায়েলের আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে ৭৪,৫৭০ জন নিহত এবং ১৭৫,৮০৮ জন আহত হয়েছে।
"গাজায় বিতাড়নের নিরন্তর কষ্ট ‘অত্যন্ত তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী’। তারা যারা সেসফায়ারের ঘোষণা দেওয়ার আগে বিতাড়িত হয়েছিল, তাদের ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা উপত্যকা (শুজায়িয়া, গাজা শহর, পূর্ব বুরেইজ, পূর্ব দের আল-বালাহ, পূর্ব আল-মাঘাজি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অজিথ সঙ্ঘায় (OHCHR প্রধান), গাজার জনশক্তি ও বাসস্থান মন্ত্রণালয়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ শতাংশ (গাজার অঞ্চল), ২০০ পরিবার (৮০০ জন বিতাড়িত), ১,৫৭৪ জন নিহত, ৫,৬৮৭ জন আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!