📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হারলে তার দল লিকুদ পার্টি ‘ভোট চুরি’ অভিযোগ তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ২০২০ সালের নির্বাচন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে দলটি আরব-অধ্যুষিত ভোটকেন্দ্রে জালিয়াতির অভিযোগের ‘কৌশল’ তৈরি করেছে
ইসরায়েলের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যদি পরাজিত হন, তাহলে তার দল লিকুদ পার্টি ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তোলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ২০২০ সালের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতোই ইসরায়েলের এই দলও সম্ভাব্য কারচুপির অভিযোগের ‘কৌশল’ নিয়ে আলোচনা করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলের লিকুদ পার্টি নেতানিয়াহু হারলে ‘ভোট চুরি’ অভিযোগ তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে — যুক্তরাষ্ট্রের ২০২০ সালের নির্বাচন থেকে অনুপ্রাণিত
- 📌 দলটি আরব-অধ্যুষিত ভোটকেন্দ্রে ‘মুখ ঢাকা বোরকা পরা নারী ভোটার’ ও ‘পুরুষ-নারী আলাদা ভোট’ বিষয়ে জালিয়াতির অভিযোগের খসড়া তৈরি করেছে
- 📌 লিকুদ পার্টি ইতিমধ্যে আরব এলাকায় ২ হাজার কর্মী পাঠিয়েছে ‘নজরদারি’ করার জন্য, কিন্তু তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক আইনি এখতিয়ার নেই
- 📌 কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বর্তমান সুরক্ষাব্যবস্থাই যথেষ্ট — কোনো বড় ধরনের জালিয়াতির প্রমাণ নেই
- 📌 নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, কারণ লিকুদ ও তাদের মিত্র পার্টির কর্মীদের কোনো আইনি দায়িত্ব নেই
📰 বিস্তারিত
হিব্রু সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, লিকুদ পার্টির নেতা-কর্মীরা পরাজয়ের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছেন। দলটির একটি সূত্র জানিয়েছে, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতোই ইসরায়েলের এই দলও ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তোলার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। ইসরায়েলের টেলিভিশন চ্যানেল টুয়েলভের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরব জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত ভোটকেন্দ্রগুলোর জন্য জালিয়াতির অভিযোগের খসড়া ইতিমধ্যে তৈরি করা হয়েছে। দলটি বিশেষভাবে ‘মুখ ঢাকা বোরকা পরা নারী ভোটার’ এবং ‘পুরুষ ও নারী ভোটারদের আলাদা সময়ে ভোট নেওয়া’ বিষয়ে জালিয়াতির অভিযোগ তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
লিকুদ পার্টির কর্মীরা আরব এলাকায় ‘নজরদারি’ করার জন্য ইতিমধ্যে কয়েক হাজার কর্মী পাঠিয়েছে। তবে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক আইনি এখতিয়ার নেই। হারেৎজ সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের পরিচয় জানতে চাওয়ার কোনো অধিকার তাদের নেই। যদি কোনো নারী তাদের কাছে পরিচয় জানাতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে তারা কী করবেন, সে বিষয়ে দলটি স্পষ্টভাবে কোনো বিবৃতি দেনি।
লিকুদ পার্টি ও তাদের মিত্র রিলিজিয়াস জায়োনিজম পার্টি আরব ভোটকেন্দ্রগুলোতে দুই হাজার কর্মী পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, এসব কর্মীদের কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব বা আইনি নজরদারির ক্ষমতা নেই।
"ধরা যাক, একজন নারী বোরকা পরে ভোট দিতে এলেন। এর কয়েক মিনিট পর আরেকজন নারী বোরকা পরে এলেন। তিনি আগের নারীই কি না, তা আমাদের যাচাই করে দেখতে হবে।"
কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের মহাপরিচালক দিন লিবনে সাফ জানিয়েছেন, ইসরায়েলের নির্বাচনে বড় ধরনের কোনো জালিয়াতির প্রমাণ নেই এবং বিদ্যমান সুরক্ষাব্যবস্থাই যথেষ্ট। অন্যদিকে ‘মুভমেন্ট ফর কোয়ালিটি গভর্নমেন্ট ইন ইসরায়েল’ জানিয়েছে, নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটামাত্র কর্তৃপক্ষকে জানাতে তারা একটি হটলাইন চালুর ঘোষণা দিয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল (আরব-অধ্যুষিত এলাকা, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, লিকুদ পার্টির নেতা-কর্মীরা, দিন লিবনে সাফ (কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের মহাপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২০ (যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন), ২ হাজার (লিকুদ কর্মী), ৪ হাজার (লিকুদ কর্মী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!