ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতান্যাহু হা’আরেথ্যা’ তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ বিন জায়েদ (এমবিজে) ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলার ১০ দিন আগে নেতান্যাহুকে সতর্ক করেছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতান্যাহু হা’আরেটজ পত্রিকাকে মামলা দাবি করেছেন এবং প্রতিবেদনের লেখক শ্লোমি এলদার ও রুথ ইয়াভালের বিরুদ্ধেও মামলা দাবি করেছেন।
- 📌 হা’আরেটজের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতি এমবিজে ৭ অক্টোবরের হামলার ১০ দিন আগে নেতান্যাহুকে সতর্ক করেছিলেন।
- 📌 হামাসের তৎকালীন নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার বলেছিলেন, ‘একটি বিশাল আকস্মিক ঘটনা’ ঘটবে এবং ‘জলবায়ু পরিবর্তনের মতো আশা করুন’।
- 📌 এমবিজে নেতান্যাহুর কাছে সতর্কতা তুলে ধরলেও, ইসরায়েলের গোপনীয়তা সংস্থা শিন বেত এই সতর্কতাকে নগণ্য মনে করে।
- 📌 নেতান্যাহু দাবি করেছেন, এই প্রতিবেদন ‘রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘বামপন্থীদের নির্বাচনী প্রচার’।
- 📌 ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ মুহাম্মদ দাহলানকে এই প্রতিবেদনের পিছনে দায়ী করে নেতান্যাহু। দাহলানকে ২০১১ সালে ফাতাহ পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
হা’আরেটজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমবিজে নেতান্যাহুর সাথে ফোনে কথা বলেছিলেন এবং হামাসের তৎকালীন নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের সতর্কতা তুলে ধরেছিলেন। সিনওয়ার বলেছিলেন, ‘একটি বিশাল আকস্মিক ঘটনা’ ঘটবে এবং তার যোগাযোগদাতাদের বলেছিলেন, ‘ইসরায়েলকে বলুন, তারা ‘জলবায়ু পরিবর্তনের মতো’ আশা করুন’। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এমবিজে এবং তার সহকর্মীরা এই কথাগুলোকে একটি আকস্মিক আক্রমণের সতর্কতা হিসেবে বুঝেছিলেন এবং এই তথ্য ইসরায়েলের গোপনীয়তা সংস্থা শিন বেতকে দিয়েছিলেন। তবে শিন বেত এই সতর্কতাকে নগণ্য মনে করে। এমবিজে পরে নেতান্যাহুর সাথে সরাসরি কথা বললেও, তিনিও সতর্কতাকে নগণ্য মনে করেছিলেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার এই দাবিকে অস্বীকার করেছে। তাদের বিদেশ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার মিডিয়া প্রতিবেদন বা সরকারী নেতাদের মধ্যে কথোপকথনের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবে না’।
এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতান্যাহু অক্টোবর মাসের কনেসেট নির্বাচনে তার অবস্থান নিশ্চিত করতে চেষ্টা করছেন। নেতান্যাহু নির্বাচনী মাঠে পিছিয়ে আছেন এবং প্রাক্তন সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকটের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিযোগিতা করছেন। নেতান্যাহু বলেছেন, এই প্রতিবেদন ‘রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘বামপন্থীদের নির্বাচনী প্রচার’। তিনি দাবি করেছেন, এই প্রতিবেদনের পিছনে দায়ী ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ মুহাম্মদ দাহলান। দাহলানকে ২০১১ সালে ফাতাহ পার্টির তৎকালীন নেতা মহম্মদ আব্বাসের সাথে ক্ষমতা সংগ্রামে বহিষ্কার করা হয়েছিল এবং তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করছেন। দাহলানের প্রতিনিধিরা এই দাবিকে অস্বীকার করেছেন।
"এই প্রতিবেদন ‘কৃত্রিম’ এবং ‘মিথ্যা’"
"একটি বিশাল আকস্মিক ঘটনা"
"জলবায়ু পরিবর্তনের মতো আশা করুন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনজামিন নেতান্যাহু, মোহাম্মদ বিন জায়েদ, ইয়াহিয়া সিনওয়ার, শ্লোমি এলদার, রুথ ইয়াভাল, মুহাম্মদ দাহলান, গাদি আইজেনকট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ দিন (সতর্কতার পূর্বে), ৪টি (প্রতিবেদনের লেখক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!