📌 ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ক্ষয়ক্ষতি নতুনভাবে প্রকাশ পেয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত চার মাসে ১১টি মডেলের অন্তত ৫২টি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ফাইটার জেট থেকে শুরু করে ট্যাংকার বিমান, ড্রোন, হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন সামরিক যানবাহন অন্তর্ভুক্ত
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ক্ষয়ক্ষতির নতুন চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে মাত্র চার মাসে (২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন) পর্যন্ত ১১টি মডেলের অন্তত ৫২টি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুদ্ধবিমান থেকে শুরু করে ট্যাংকার বিমান, ড্রোন, হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন সামরিক যানবাহনই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৫২টি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ধ্বংস**: যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি মডেলের অন্তত ৫২টি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ইরান যুদ্ধে ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- 📌 **ফাইটার জেটসহ বিভিন্ন মডেল ক্ষতিগ্রস্ত**: এফ-১৫ই (৪টি), এফ-৩৫এ (১টি), এ-১০ (১টি), এমকিউ-৪সি ট্রাইটন (১টি), এমকিউ-৯ রিপার (৩০টি)সহ বিভিন্ন যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- 📌 **সামরিক অভিযানে ১২টি হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত**: এএইচ-৬ হেলিকপ্টার (৪টি), এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি (১টি), এমএইচ-৬০এস (১টি), এইচএইচ-৬০ডব্লিউ (১টি)সহ বিভিন্ন হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- 📌 **ট্যাংকার বিমান ও নজরদারি ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত**: কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিমান (৭টি)সহ নজরদারি ড্রোন এমকিউ-৯ রিপার (৩০টি) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- 📌 **সামরিক ক্রু সদস্যদের মৃত্যু ও আহত**: ইরানের হামলায় কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিমানের একটি মিশনে ছয়জন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন। আরব সাগরে এমএইচ-৬০এস হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় চারজন ক্রু সদস্যের মধ্যে তিনজন আহত এবং একজন নিখোঁজ।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শকের প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে মাত্র চার মাসে (২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন) পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্য। এই সময়ে ১১টি মডেলের অন্তত ৫২টি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ফাইটার জেটসহ বিভিন্ন যুদ্ধবিমান, ট্যাংকার বিমান, ড্রোন, হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন সামরিক যানবাহন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান (৪টি)সহ বিভিন্ন মডেলের যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানগুলো মূলত আকাশ থেকে ভূমিতে এবং আকাশ থেকে আকাশে হামলার জন্য ব্যবহৃত হয়। এফ-৩৫এ স্টিলথ মাল্টিরোল যুদ্ধবিমানও ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও, এ-১০ অ্যাটাক এয়ারক্রাফট, কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিমান, ই-৩ সেন্ট্রি, এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোনসহ বিভিন্ন যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের হামলায় কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিমানগুলো বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই বিমানগুলো যুদ্ধবিমানকে আকাশেই জ্বালানি সরবরাহ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২ মার্চ ইরাকে একটি কেসি-১৩৫ বিমান জ্বালানি সরবরাহ মিশনে বিধ্বস্ত হয় এবং ছয়জন ক্রু সদস্য নিহত হন। সৌদি আরবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ভূমিতে থাকা পাঁচটি কেসি-১৩৫ বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
"মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রতিবেদনে ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে মাত্র চার মাসে ১১টি মডেলের অন্তত ৫২টি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, সৌদি আরব, ইরাক, আরব সাগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২টি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন, ১১টি মডেল, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!