📌 ইরানের লাগাতার হামলায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। সংঘাতে ১১ মার্কিন সেনা নিহত ও ৪০০-এরও বেশি আহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে অস্ত্র ঘাটতি ও ৩৩ বিলিয়ন ডলারের মোট ব্যয়ের তথ্য উঠে এসেছে।
ইরানের লাগাতার হামলায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ধ্বংসপ্রায় শত শত ভবন ও সামরিক অবকাঠামো নষ্ট হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত চলা চার মাসের সংঘাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ভোগ করেছে। পেন্টাগনের নতুন প্রতিবেদনে ইরান ও তাদের মিত্রদের হামলায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে শত শত ভবন ধ্বংসের পাশাপাশি কমপক্ষে ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন নষ্ট হয়েছে। এছাড়াও এফ-১৫ই ও এফ-৩৫এ স্টিলথ যুদ্ধবিমান, রিফুয়েলিং ট্যাংকার এবং বিভিন্ন ধরনের হেলিকপ্টারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের হামলায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও অবকাঠামো ধ্বংস, ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন নষ্ট
- 📌 সংঘাতে ১১ মার্কিন সেনা নিহত ও চার শতাধিক সেনা আহত, মোট ব্যয় ছাড়িয়েছে ৩৩ বিলিয়ন ডলার
- 📌 কুয়েত, সৌদি আরব, ইরাক ও জর্ডানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে লাগাতার হামলা চালানো হয়েছে
- 📌 মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোর মেরামত ও সুরক্ষায় ১৮৪ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে
- 📌 হরমুজ প্রণালি বন্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগত অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে
📰 বিস্তারিত
পেন্টাগনের ইন্সপেক্টর জেনারেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার মাসের এই সংঘাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী শুধু অস্ত্র বাবদ প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। মোট ব্যয়ের পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৩৩ বিলিয়ন ডলার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার অফুরন্ত বলে দাবি করলেও, প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে অস্ত্র ঘাটতি ও সাপ্লাই চেইনে বড় ধরনের সংকটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কুয়েত, সৌদি আরব, ইরাক ও জর্ডানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ইরান ও তাদের মিত্রদের লাগাতার হামলায় শত শত অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। সরাসরি এই সংঘাতে অন্তত ১১ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং চার শতাধিক সেনা আহত হয়েছে। শুধু সামরিক ঘাঁটিই নয়, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোরও বারবার হামলা চালানো হয়েছে। এসব স্থাপনার মেরামত ও সুরক্ষায় অতিরিক্ত প্রায় ১৮৪ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে।
চলমান এই সামরিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বন্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এই প্রণালির বন্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
"চার মাসের সংঘাতে শুধু অস্ত্র বাবদ খরচ হয়েছে প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলার এবং মোট ব্যয় ছাড়িয়েছে ৩৩ বিলিয়ন ডলার। প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে অস্ত্র ঘাটতি এবং সাপ্লাই চেইনে বড় ধরনের সংকটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুয়েত, সৌদি আরব, ইরাক, জর্ডানসহ উপসাগরীয় অঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন, ১১ জন নিহত সেনা, ৩৩ বিলিয়ন ডলার মোট ব্যয়, ১৮৪ মিলিয়ন ডলার মেরামত খরচ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!