📌 যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে সমাপ্তির আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় ইরান এখন পুরোপুরি আক্রমণাত্মক সামরিক অবস্থানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ যুদ্ধকে আরও দীর্ঘায়িত করছে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে সমাপ্তির প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় ইরান এখন পুরোপুরি আক্রমণাত্মক সামরিক অবস্থানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। গতকাল সোমবার রয়টার্সকে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা এ তথ্য জানান। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। ফলে হরমুজ প্রণালি ও তেলবাহী জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু করার প্রচেষ্টা কার্যত থেমে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় ইরান পুরোপুরি আক্রমণাত্মক অবস্থানে যাচ্ছে
- 📌 হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ যুদ্ধকে আরও দীর্ঘায়িত করছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই
- 📌 যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাধ্যমে
- 📌 জুন মাসে স্বাক্ষরিত চুক্তিতে দুই দেশকে ৬০ দিনের মধ্যে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর সময় দেওয়া হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
গতকাল সোমবার রয়টার্সকে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় ইরান এখন পুরোপুরি আক্রমণাত্মক সামরিক অবস্থানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। ফলে ইরানের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি আরও জানান, কূটনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ভেঙে দিতে ইরান সময় বুঝে এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে সামরিক হামলা চালাবে। যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাধ্যমে।
জুন মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল, যেখানে দুই দেশকে ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর সময় দেওয়া হয়েছিল। চুক্তিতে বলা হয়েছিল, সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে। তবে চুক্তিটি বেশিদিন টেকেনি।
"ইরান কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে এবং প্রয়োজন হলে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। কূটনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ভেঙে দিতে ইরান সময় বুঝে এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে সামরিক হামলা চালাবে।"
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, জুনের অস্থায়ী চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র কোনো চেষ্টা করছে না। তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসির সঙ্গে গোপন যোগাযোগের চ্যানেল খুলেছে। যুদ্ধের সময় আইআরজিসি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার জানান, হামাস অস্ত্র সমর্পণ না করা পর্যন্ত গাজা পুনর্গঠনের অনুমতি দেবে না যুক্তরাষ্ট্র। তিনি গতকাল সোমবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইরানি কর্মকর্তা, জ্যারেড কুশনার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ (ফেব্রুয়ারি), ১৭ (জুন), ৬০ (দিন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!