📌 ইরানের কর্তৃপক্ষ 'জানফাদা' নামক সামরিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ৩৩ কোটি নাগরিককে নিবন্ধিত করেছে বলে দাবি করলেও সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শিশু-কিশোরদেরও সামরিক প্রশিক্ষণে জড়িয়ে রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে
ইরানের কর্তৃপক্ষ সামরিক শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'জানফাদা' বা 'জীবন উৎসর্গকারী' নামে একটি বিশাল নাগরিক সামরিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে টেহরানে শুক্রবার হাজার হাজার নাগরিক, বিশেষত শিশু-কিশোরদের সামরিক অনুশীলনে অংশ নেওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, এই কর্মসূচিতে ৩৩ কোটি নাগরিক নিবন্ধিত হয়েছে, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩/৪ ভাগ। তবে এই দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের কর্তৃপক্ষ 'জানফাদা' কর্মসূচিতে ৩৩ কোটি নাগরিককে নিবন্ধিত করেছে বলে দাবি করলেও সত্যতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
- 📌 শুক্রবার টেহরানে অনুষ্ঠিত সামরিক অনুশীলনে ৩১৩,০০০ জন নাগরিক অংশ নেওয়ার কথা বলা হলেও ভিডিওতে তা প্রমাণিত হয়নি।
- 📌 ইরানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, ৬০০,০০০ জন নাগরিক এই কর্মসূচির 'অ্যাক্টিভ মোবিলাইজেশন' অংশে নিবন্ধিত হয়েছে।
- 📌 'জানফাদা' কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিশু-কিশোরদেরও সামরিক প্রশিক্ষণে জড়িয়ে রাখা হচ্ছে।
- 📌 ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান সামরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণকারীদের বলেছেন, তারা দেশের শক্তি সংকট মোকাবেলায় জরুরি সম্পদ ব্যবহার কমিয়ে আনার মাধ্যমে সাহায্য করতে পারে।
📰 বিস্তারিত
ইরানের কর্তৃপক্ষ সামরিক শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'জানফাদা' নামে একটি বিশাল নাগরিক সামরিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে টেহরানে শুক্রবার হাজার হাজার নাগরিক, বিশেষত শিশু-কিশোরদের সামরিক অনুশীলনে অংশ নেওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, এই কর্মসূচিতে ৩৩ কোটি নাগরিক নিবন্ধিত হয়েছে, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩/৪ ভাগ। তবে এই দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে টেহরানে শুক্রবার অনুষ্ঠিত সামরিক অনুশীলনে ৩১৩,০০০ জন নাগরিক অংশ নেওয়ার কথা বলা হলেও, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রচারিত ভিডিওতে তা প্রমাণিত হয়নি। কর্তৃপক্ষের দাবি, এই কর্মসূচির 'অ্যাক্টিভ মোবিলাইজেশন' অংশে ৬০০,০০০ জন নাগরিক নিবন্ধিত হয়েছে। তবে এই কর্মসূচির উদ্বোধনকালে কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিল, ৩১ মিলিয়ন (৩ কোটি ১০ লাখ) জন নাগরিক নিবন্ধিত হয়েছে, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১/৩ ভাগ। তবে এই দাবিরও সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) এর টেহরান শাখার প্রধান হাসান হাসানজাদেহ বলেছেন, এই কর্মসূচিতে ১ মিলিয়ন (১ কোটি) জন নাগরিক নিবন্ধিত হওয়ার আশা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, ইতিমধ্যে ১,০০০টি 'ব্যাটালিয়ন' গঠন করা হয়েছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিশু-কিশোরদেরও সামরিক প্রশিক্ষণে জড়িয়ে রাখা হচ্ছে। শুক্রবার অনুষ্ঠিত সামরিক অনুশীলনে কিছু কিশোর-কিশোরী অস্ত্র বহন করে দেখা গেছে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে টেহরান ও অন্যান্য শহরের সড়কপথে শিশু-কিশোররা চেকপয়েন্ট ও রাস্তা বন্ধকরণে অংশ নেওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে।
ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান শুক্রবার অনুষ্ঠিত সামরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণকারীদের বলেছেন, তারা দেশের শক্তি সংকট মোকাবেলায় জরুরি সম্পদ ব্যবহার কমিয়ে আনার মাধ্যমে সাহায্য করতে পারে। তিনি বলেছেন, "আমরা আপনাদেরকে বলছি, জরুরি সম্পদ যেমন জ্বালানি, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য সম্পদ ব্যবহার কমিয়ে আনার মাধ্যমে আমাদের প্রশাসনকে সাহায্য করুন।"
ইরানের কর্তৃপক্ষের দাবি, এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে নিবন্ধিতদের মধ্যে ২৬ শতাংশ সামরিক ও নিরাপত্তা কাজে নিযুক্ত হবে। বাকি অংশে রেস্কিউ, সামাজিক পরিষেবা, মিডিয়া এবং অর্থনৈতিক সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
"Do you know how to work with this?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টেহরান, ইরান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুদ পেজেশকিয়ান, হাসান হাসানজাদেহ, সাসান জার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ কোটি (নিবন্ধিত নাগরিক), ৩১৩,০০০ (সামরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণকারী), ৬০০,০০০ (অ্যাক্টিভ মোবিলাইজেশন অংশে নিবন্ধিত), ১,০০০ (ব্যাটালিয়ন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!