📌 ইরানের বিপ্লবী গার্ডস (IRGC) ঘোষণা করেছে, তারা গোপন ভূগর্ভস্থ কারখানা নির্মাণ করছে যাতে অস্ত্র উৎপাদন ও সংরক্ষণ অব্যাহত রাখা যায়। গত শনিবার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, ইরান হামলা করলে কোনো ভূখণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকবে না। মার্কিন ও ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধে ইরান ১৩৫ বার গলফের অবকাঠামো আক্রমণ করে বিলিয়ন ডলার ক্ষতি করেছে
ইরানের বিপ্লবী গার্ডস কর্পস (IRGC) ঘোষণা করেছে, তারা গোপন ভূগর্ভস্থ সামরিক কমপ্লেক্স নির্মাণ করছে যা ভারী বোমাবর্ষণের মধ্যেও অস্ত্র উৎপাদন ও সংরক্ষণ অব্যাহত রাখতে সক্ষম। গত শনিবার তেহরানে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে IRGC-এর মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, IRGC-এর মিসাইল ও ড্রোন উৎপাদন লাইনগুলি দ্রুতভাবে ভূগর্ভস্থ স্থাপন করা হয়েছে। ফলে শত্রু দেশগুলো মনে করছে ইরানের অস্ত্র সংগ্রহশালা হ্রাস পেয়েছে, কিন্তু আসলে উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **গোপন ভূগর্ভস্থ কারখানা**: ইরান "গোপন মিসাইল শহর" নির্মাণ করছে, যা বোমাবর্ষণের মধ্যেও অস্ত্র উৎপাদন ও সংরক্ষণে সক্ষম হবে বলে দাবি করা হয়েছে।
- 📌 **স্বদেশী প্রযুক্তি**: IRGC-এর মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, "আজ IRGC এর এয়ারোস্পেস ফোর্সের প্রতিটি অস্ত্র স্বদেশী জ্ঞান ও দক্ষতার মাধ্যমে তৈরি হয়। আমাদের প্রযুক্তি কোনো শত্রু অস্ত্রের বিপরীত প্রকৌশল থেকে উদ্ভূত নয়।"
- 📌 **গলফ অবকাঠামো আক্রমণ**: ইরান ১৩৫ বার গলফ অঞ্চলের অবকাঠামো আক্রমণ করে বিলিয়ন ডলার ক্ষতি ও আয়হানি করেছে, বলে রয়টার্সের প্রতিবেদন।
- 📌 **সীমাবদ্ধতা উঠে গেছে**: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মজতাবা খামেনে বলেছেন, "আমরা যদি আবার মার্কিন ও ইসরায়েলের হামলা পাই, তাহলে কোনো ভূখণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকব না।"
- 📌 **মার্কিন প্রতিক্রিয়া**: মার্কিন সেনাবাহিনী নতুন টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে যাতে ইরানকে ভূমি রুটে অস্ত্র পরিবহন থেকে বিরত রাখা যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রফতানি নিষিদ্ধ করে নৌব্লকেড আরোপ করেছে।
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার তেহরানে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে IRGC-এর মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি বলেন, তাদের মিসাইল ও ড্রোন উৎপাদন লাইনগুলি দ্রুত ভূগর্ভস্থ স্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই পদক্ষেপের ফলে শত্রু দেশগুলো মনে করছে ইরানের অস্ত্র সংগ্রহশালা হ্রাস পেয়েছে, কিন্তু আসলে উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। মোহেব্বি আরও জানান, ইরানের অস্ত্রগুলো এখনো শত্রু অস্ত্রের বিপরীত প্রকৌশল থেকে উদ্ভূত নয়, বরং সম্পূর্ণ স্বদেশী প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল।
মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান পূর্ববর্তী যুদ্ধে মার্কিন মধ্যপ্রাচ্যের বেসগুলিতে বিলিয়ন ডলার ক্ষতি করেছে। অন্যদিকে, রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরান গলফ অঞ্চলের অবকাঠামোতে ১৩৫ বার আক্রমণ করে বিলিয়ন ডলার ক্ষতি ও আয়হানি করেছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মজতাবা খামেনে গতকাল একটি বিবৃতিতে বলেছেন, "আমরা যদি আবার মার্কিন ও ইসরায়েলের হামলা পাই, তাহলে কোনো ভূখণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকব না।" এই ঘোষণার পরই IRGC-এর মুখপাত্র মোহেব্বি সীমাবদ্ধতা উঠে গেছে বলে জানান।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত শুক্রবার বলেন, মার্কিন সেনাবাহিনী ইরানের কেশম দ্বীপে সীমিত হামলা চালিয়েছে। তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাথে আলোচনায় অনেক প্রগতি করেছে। তবে ইরান প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে, যদি যুদ্ধ পুনরায় শুরু হয়, তাহলে তারা গলফের তেল অবকাঠামো আক্রমণ করবে, যা তেলের দাম আরও বাড়িয়ে তুলবে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর মধ্য প্রাচ্য কমান্ড (CENTCOM) ঘোষণা করেছে, তারা নতুন একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে যাতে ইরানকে ভূমি রুটে অস্ত্র পরিবহন থেকে বিরত রাখা যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রফতানি নিষিদ্ধ করে নৌব্লকেড আরোপ করেছে।
"আজ IRGC এর এয়ারোস্পেস ফোর্সের প্রতিটি অস্ত্র স্বদেশী জ্ঞান ও দক্ষতার মাধ্যমে তৈরি হয়। আমাদের প্রযুক্তি কোনো শত্রু অস্ত্রের বিপরীত প্রকৌশল থেকে উদ্ভূত নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তেহরান (ইরান), কেশম দ্বীপ (ইরান), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গলফ অঞ্চল
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: হোসেইন মোহেব্বি (IRGC মুখপাত্র), মজতাবা খামেনে (ইরানের সর্বোচ্চ নেতা), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৫ বার গলফ অবকাঠামো আক্রমণ, ৩টি রেকমেন্ডেড স্টোরিজ, ১৩৫ বার আক্রমণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!