📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বৃন্দাবনের ধর্মগুরু ইন্দ্রদেবের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে মামলা: ভুক্তভোগী নারী মিরা-ভায়ান্দর থেকে জিরো এফআইআর দায়ের

বৃন্দাবনের ধর্মগুরু ইন্দ্রদেবের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে মামলা: ভুক্তভোগী নারী মিরা-ভায়ান্দর থেকে জিরো এফআইআর দায়ের

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মহারাষ্ট্রের পুনের বাসিন্দা এক নারী ভক্ত ইন্দ্রদেব মহারাজের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ দায়ের করেছেন। মথুরা-বৃন্দাবনের ধর্মগুরুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মিরা-ভায়ান্দর পুলিশ জিরো এফআইআর নথিভুক্ত করেছে

মহারাষ্ট্রের পুনের বাসিন্দা এক নারী ভক্ত বৃন্দাবনের ধর্মগুরু ইন্দ্রদেব মহারাজের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন, শ্লীলতাহানি এবং ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ধর্মগুরু তাঁকে ‘সেবধাম আশ্রমে’ অবস্থানকালে যৌন নির্যাতন চালিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে ভিডিও কলে নানাবিধ অশ্লীল কর্মকাণ্ডে বাধ্য করেছিলেন। এই ঘটনার জন্য ইতিমধ্যে মিরা-ভায়ান্দর পুলিশ স্টেশন জিরো এফআইআর নথিভুক্ত করেছে, যা পরবর্তীতে উত্তর প্রদেশের মথুরায় স্থানান্তরিত হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মহারাষ্ট্রের পুনের বাসিন্দা এক নারী ভক্ত ইন্দ্রদেব মহারাজের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ দায়ের করেছেন।
  • 📌 ২০২৩ সালে ধর্মগুরু তাঁকে ‘সেবধাম আশ্রমে’ অবস্থানকালে রাতে যৌন নির্যাতন চালিয়েছিলেন এবং ভিডিও কলে অশ্লীল কর্মকাণ্ডে বাধ্য করেছিলেন।
  • 📌 মিরা-ভায়ান্দর পুলিশ জিরো এফআইআর নথিভুক্ত করেছে, যা পরবর্তীতে উত্তর প্রদেশের মথুরায় স্থানান্তরিত হবে।
  • 📌 ভুক্তভোগী নারী জানান, ধর্মগুরু তাঁকে ‘আমি ঈশ্বর’ বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে অশ্লীল ভিডিও রেকর্ড করতে বাধ্য করেছিলেন।
  • 📌 সংগঠন ‘ভূমাতা ব্রিগেড’ সভাপতি তৃপ্তি দেশাইয়ের হস্তক্ষেপে মামলা দায়ের করা সম্ভব হয়েছিল।

📰 বিস্তারিত

মহারাষ্ট্রের মিরা-ভায়ান্দরের কাশিমিরা পুলিশ স্টেশন ইন্দ্রদেব মহারাজের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে জিরো এফআইআর নথিভুক্ত করেছে। ভুক্তভোগী নারী জানান, তিনি ২০২৩ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মগুরুর ধর্মীয় প্রবচন দেখে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিলেন। পরবর্তীতে মুম্বাইয়ের সান্টাক্রুজে অনুষ্ঠিত একটি সৎসং অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ধর্মগুরু থেকে দীক্ষা গ্রহণ করেন। ধর্মগুরু নিজের ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তাঁর আস্থা অর্জন করেন এবং তাঁকে বৃন্দাবনের ‘সেবধাম আশ্রমে’ ডেকে পাঠান।

আশ্রমে থাকা অবস্থায়, ধর্মগুরু গভীর রাতে তাঁকে নিজ কক্ষে ডেকে পাঠাতেন এবং দরজা বন্ধ করে যৌন নির্যাতন চালাতেন। ভুক্তভোগী নারী জানান, কেউ জিজ্ঞাসাবাদ করলে ধর্মগুরু তাঁকে ‘ওষুধ আনতে যাচ্ছেন’ বলে অজুহাত দিতে বলতেন। আশ্রম ছাড়ার পরও ধর্মগুরু ভিডিও কলে তাঁকে পোশাক খুলতে বাধ্য করতেন এবং তা রেকর্ড করে রাখতেন। ভুক্তভোগী নারী জানান, ধর্মগুরু তাঁকে ‘আমি ঈশ্বর, আর আমার আজ্ঞা পালন করা তোমার বাধ্যবাধকতা’ বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে অশ্লীল কর্মকাণ্ডে বাধ্য করতেন।

ভুক্তভোগী নারী দীর্ঘদিন ধরে মথুরায় গিয়ে অভিযোগের চেষ্টা করলেও স্থানীয় প্রশাসন তা গুরুত্ব দেয়নি। পরবর্তীতে ‘ভূমাতা ব্রিগেড’ সভাপতি তৃপ্তি দেশাইয়ের হস্তক্ষেপে মহারাষ্ট্রে এই জিরো এফআইআর নথিভুক্ত করা সম্ভব হয়েছিল। সংগঠনটির আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী নারী তাঁর দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। সে সময় আরও কয়েকজন নারী উপস্থিত হয়ে ধর্মগুরু ইন্দ্রদেবের বিরুদ্ধে একই ধরনের শারীরিক ও মানসিক শোষণের অভিযোগ তোলেন।

"নারীদের ধর্মীয় বিশ্বাসকে পুঁজি করে যাঁরা এ ধরনের শোষণে লিপ্ত হন, তাঁদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে নারীদের আর চুপ না থেকে সরব হওয়ার সময় এসেছে।"

— তৃপ্তি দেশাই, ‘ভূমাতা ব্রিগেড’ সভাপতি

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মহারাষ্ট্রের পুনা, মুম্বাই, মথুরা (উত্তর প্রদেশ), বৃন্দাবন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভুক্তভোগী নারী, ইন্দ্রদেব মহারাজ, তৃপ্তি দেশাই
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৩ (ঘটনার বছর), জিরো এফআইআর (মামলার ধরন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖