📅 ৯ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৮ বছর ধরে নারীর ছদ্মবেশে বসবাস করলেও পুলিশের আঙুলের ছাপ পরীক্ষায় ধরা পড়লেন পলাতক আসামি

৮ বছর ধরে নারীর ছদ্মবেশে বসবাস করলেও পুলিশের আঙুলের ছাপ পরীক্ষায় ধরা পড়লেন পলাতক আসামি

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 তুরস্কের এক পলাতক আসামি আট বছর ধরে নারীর ছদ্মবেশে বসবাস করছিলেন। পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক হওয়ার পর আঙুলের ছাপ পরীক্ষায় তার প্রকৃত পরিচয় উন্মোচিত হয়

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে আট বছর ধরে নারীর ছদ্মবেশে বসবাস করলেও পুলিশের আঙুলের ছাপ পরীক্ষায় ধরা পড়লেন এক পলাতক আসামি। নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন রাখতে তিনি বোনের পরিচয়ে বসবাস করছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত পুলিশের তদন্তে তার প্রকৃত পরিচয় উন্মোচিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তুরস্কের এক পলাতক আসামি **৮ বছর ধরে নারীর ছদ্মবেশে** বসবাস করছিলেন এবং বোনের পরিচয়ে যাতায়াত করছিলেন
  • 📌 **২০১০ সালে** তিনটি ডাকাতির ঘটনায় তিন বছরের কারাদণ্ড পেলেও কারাগারে যাওয়া এড়াতে **২০১৮ সাল থেকে আত্মগোপনে** চলে যান
  • 📌 পুলিশের **বিশেষ অভিযানে** আটক হওয়ার পর **আঙুলের ছাপ পরীক্ষায়** তার প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত হয়
  • 📌 **তুঘরুল বাশার** নামের এই ব্যক্তির কাছে গ্রেপ্তারের সময় তার বোনের **পরিচয়পত্র** পাওয়া যায়
  • 📌 তুরস্কের নাগরিক নিবন্ধন ব্যবস্থায় **লিঙ্গ পরিবর্তনের কোনো নথি না থাকায়** তাকে পুরুষ হিসেবে কারাগারে পাঠানো হবে

📰 বিস্তারিত

তুরস্কের ইস্তাম্বুলের কাদিকয় জেলায় পলাতক আসামিদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছিল। অভিযানের সময় পুলিশের নজরে আসেন একজন ব্যক্তি, যিনি নারীর ছদ্মবেশে বসবাস করছিলেন। তবে তার চেহারা পরিবর্তিত হওয়ায় শুরুতে তাকে শনাক্ত করতে পারেননি পুলিশ সদস্যরা। তদন্তকারীদের নজরে আসে, বাশারের বোনের বাড়িতে একই পরিচয়ে দুই তরুণী যাতায়াত করছেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করে পুলিশ তাদের ওপর নজরদারি শুরু করেন। পরে আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন, তাদের একজন আসলে পলাতক আসামি তুঘরুল বাশার।

বাশার **২০১০ সালে** সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে তিনটি ডাকাতির ঘটনায় আদালত তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন। কিন্তু কারাগারে যাওয়া এড়াতে **২০১৮ সাল থেকে আত্মগোপনে** চলে যান তিনি। এরপর থেকেই তাকে খুঁজছিল পুলিশ। দীর্ঘদিনে তার চেহারায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ফলে পুরোনো ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে তিনি মেকআপ বা ছদ্মবেশের আশ্রয় নিয়েছিলেন, নাকি লিঙ্গ পরিবর্তন করেছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

গ্রেপ্তারের সময় বাশারের কাছে তার বোনের পরিচয়পত্র পাওয়া যায়। তবে আঙুলের ছাপ পরীক্ষায় তার প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ। তুরস্কের নাগরিক নিবন্ধন ব্যবস্থায় নিজের নাম বা লিঙ্গ পরিবর্তনের কোনো নথি না থাকায় তাকে পুরুষ হিসেবে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে।

"আঙুলের ছাপ পরীক্ষায় তার প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তুরস্কের ইস্তাম্বুল, কাদিকয় জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তুঘরুল বাশার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖