📌 ইরান দাবি করেছে, তাদের আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সফল হয়ে মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোনটি হরমুজ প্রণালীতে ভূপাতিত করেছে। মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি বলেছেন, হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে তারা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে
হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-১ (MQ-1) ড্রোনকে ইরানি সেনাবাহিনী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ধ্বংস করার দাবি করেছে। ইরান মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে তাদের নতুন আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে এই অভিযান পরিচালনা করে। ইরানি সেনাবাহিনীর প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ড্রোনটিকে শনাক্ত ও ট্র্যাক করার পর সফলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে ধ্বংস করা হয়েছে। পুরো অভিযানটি ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরান দাবি করেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সফল হয়ে মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোনটি হরমুজ প্রণালীতে ভূপাতিত করেছে
- 📌 মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ড্রোনটিকে শনাক্ত ও ধ্বংস করা হয়েছে
- 📌 ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) উপ-কমান্ডার মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি বলেছেন, হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে
- 📌 গত শনিবার মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধের প্রতিবাদে ইরান ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করে, যার ফলে মার্কিন জাহাজগুলো এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়
- 📌 গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল সীমিত রেখেছে ইরান
📰 বিস্তারিত
ইরানি সেনাবাহিনী মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) একটি বিবৃতিতে জানায়, তাদের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে মার্কিন ড্রোনটিকে শনাক্ত ও ধ্বংস করা হয়েছে। ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) উপ-কমান্ডার মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি বলেছেন, দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা এবং দ্বীপগুলোতে সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও মোতায়েন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে ইরানি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মার্কিন অবরোধের জবাবে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
গত শনিবার ইরান তাদের প্রতিবাদ হিসেবে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধের জবাবে একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও ডেস্ট্রয়ারকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করে। এই মিসাইল হামলার ফলে মার্কিন জাহাজগুলো এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক উত্তেজনার পর থেকেই হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল সীমিত রেখেছে ইরান। পরবর্তীতে এপ্রিলের শুরুতে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে পরিস্থিতি সাময়িক শান্ত হলেও বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
"দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা এবং দ্বীপগুলোতে সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও মোতায়েন রয়েছে। হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে ইরানি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং অবৈধ মার্কিন অবরোধের জবাবে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হরমুজ প্রণালী, ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল, দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি (ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের উপ-কমান্ডার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ (সেপ্টেম্বর), ২৮ (ফেব্রুয়ারি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!