📌 ভারতের ভোপালে ইনস্টাগ্রামের একটি ভুয়া রিলস দেখে প্ররোচিত হয়ে এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা দাবি করেছিল, অণ্ডকোষ বিক্রি করে কোটি টাকা আয় করা সম্ভব।
ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের ভোপালে ইনস্টাগ্রামের একটি ভুয়া রিলস দেখে প্ররোচিত হয়ে এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা দাবি করেছিল, অণ্ডকোষ বিক্রি করে প্রায় দুই কোটি টাকা আয় করা সম্ভব।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের ভোপালে ইনস্টাগ্রামের ভুয়া রিলস দেখে কিশোর হত্যার ঘটনা ঘটে
- 📌 অভিযুক্ত তিনজন: জোহেব খান (২০), আমির কুরাইশিসহ দুইজন অপ্রাপ্তবয়স্ক
- 📌 অভিযুক্তরা দাবি করেছিল, অণ্ডকোষ বিক্রি করে ১ কোটি ২০ লাখ রুপি আয় করা সম্ভব
- 📌 নিহত কিশোরের নাম রেহান (১৭), যিনি কলম ও কি-চেইন বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন
- 📌 অভিযুক্তরা হত্যার পর অঙ্গটি কেটে পানিতে ফেলে দেয়
📰 বিস্তারিত
ভোপাল পুলিশের জোন-৩ এর ডেপুটি পুলিশ কমিশনার আয়ুষ গুপ্ত জানান, ইনস্টাগ্রামের একটি ভিডিও দেখার পর জোহেব খান নিজেই হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং অন্যদের কাছে সেই তথ্য প্রচার করেন। তিনি দাবি করেন, ১৫-১৬ বছর বয়সী কোনো কিশোরের অণ্ডকোষ আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি করে ১ কোটি ২০ লাখ রুপি আয় করা সম্ভব। অভিযুক্তরা রেহানকে ইকবাল ময়দান থেকে নিয়ে যাওয়ার পর নির্মমভাবে হত্যা করে এবং তার অণ্ডকোষ কেটে ফেলে।
পুলিশি তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্তদের কোনো স্পষ্ট ধারণা ছিল না যে অঙ্গটি কার কাছে বিক্রি করা হবে। কয়েকদিন ধরে ক্রেতা খুঁজে ব্যর্থ হওয়ার পর তারা অঙ্গটি পানিতে ফেলে দেয়। তদন্তকারীরা চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করে নিশ্চিত হন যে অনলাইনে ছড়ানো দাবির কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
গত ১০ আগস্ট ঢোবিঘাট এলাকা থেকে এক অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে মরদেহ শনাক্ত করতে না পেরে নিয়ম অনুযায়ী দাফন করা হয়। পরে রেহানের মা তাঁর নিখোঁজ ছেলের খোঁজে পুলিশের কাছে আসেন এবং মরদেহের হাতে থাকা ট্যাটু দেখে সেটি তাঁর ছেলের বলে নিশ্চিত হন।
"অভিযুক্তরা ইনস্টাগ্রামের ভুয়া রিলস দেখে প্ররোচিত হয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটায়। তারা দাবি করেছিল, অণ্ডকোষ বিক্রি করে কোটি টাকা আয় করা সম্ভব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোপাল, মধ্যপ্রদেশ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জোহেব খান (২০), আমির কুরাইশিসহ দুইজন অপ্রাপ্তবয়স্ক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ২০ লাখ রুপি (প্রায় ২ কোটি টাকা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!