📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইনস্টাগ্রাম প্রধান আদালতে স্বীকার করলেন: কিশোরদের মাত্র ১-২ শতাংশ ব্যবহার করত ‘টেক অ্যা ব্রেক’ ফিচার

ইনস্টাগ্রাম প্রধান আদালতে স্বীকার করলেন: কিশোরদের মাত্র ১-২ শতাংশ ব্যবহার করত ‘টেক অ্যা ব্রেক’ ফিচার

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মেটা বিরুদ্ধে চলমান মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ইনস্টাগ্রাম প্রধান অ্যাডাম মসেরি স্বীকার করেছেন যে, কিশোরদের মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ ‘টেক অ্যা ব্রেক’ নামক আসক্তি বিরোধী ফিচারটি ব্যবহার করত। এছাড়া অভিযোগ উঠেছে যে, মেটা কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মেটা প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে চলমান মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধান অ্যাডাম মসেরি স্বীকার করেছেন যে, কিশোরদের মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ ‘টেক অ্যা ব্রেক’ নামক আসক্তি বিরোধী ফিচারটি ব্যবহার করত। এই ফিচারটি কিশোরদের স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অ্যাডাম মসেরি স্বীকার করেছেন যে, ‘টেক অ্যা ব্রেক’ ফিচারটি কিশোরদের মধ্যে খুব কম ব্যবহৃত হত
  • 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৯টি রাজ্য মেটাকে অভিযুক্ত করেছে শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ ও ব্যবহারের জন্য
  • 📌 অভিযোগ রয়েছে যে, মেটা প্ল্যাটফর্মগুলোকে আসক্তিমূলকভাবে ডিজাইন করেছে, যা কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে
  • 📌 অভিযোগকারীরা মেটার বিরুদ্ধে প্রায় ২০ হাজার কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে

📰 বিস্তারিত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৯টি রাজ্য মেটা প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে মামলা করেছে, অভিযোগ করেছে যে, কোম্পানিটি শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ ও ব্যবহার করেছে। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে যে, মেটা তার প্ল্যাটফর্মগুলোকে আসক্তিমূলকভাবে ডিজাইন করেছে, যা কিশোরদের মধ্যে উদ্বেগ, হতাশা এমনকি আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

অ্যাডাম মসেরি স্বীকার করেছেন যে, ‘টেক অ্যা ব্রেক’ ফিচারটি কিশোরদের মধ্যে খুব কম ব্যবহৃত হত। তিনি বলেন, "অধিকাংশ কিশোরই এটি চায়নি। তা সত্ত্বেও আমরা এটি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।" মসেরি আরও জানান যে, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত একটি ব্লগ পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে, যারা এই ফিচারটি চালু করেছিল তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি এটি চালু রেখেছিল। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, কোম্পানিটি এই ফিচারের কম ব্যবহারের বিষয়টি প্রকাশ করেনি।

সাবেক মেটা কর্মীরা জানিয়েছেন যে, ‘টেক অ্যা ব্রেক’ এবং ‘কোয়াইট মোড’ নামক ফিচারগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল এবং ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হত না। এর ফলে প্রশ্ন উঠেছে যে, কোম্পানি কিশোরদের স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণে সিরিয়াস ছিল কিনা।

"আমার অভিজ্ঞতায়, ‘টেক অ্যা ব্রেক’ হল এমন একটি ফিচার যা ব্যর্থ হওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।" — আর্তুরো বেজার, সাবেক মেটা প্রকৌশল পরিচালক

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডাম মসেরি, আর্তুরো বেজার, জর্জ ভোলিচেঙ্কো
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ (রাজ্য), ১-২ (শতাংশ), ২০ হাজার কোটি (ডলার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖