📌 ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আরও অনেকে মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শতাধিক ভবন ও সরকারি স্থাপনা।
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস দ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। স্থানীয় সময় শনিবার ভোর পাঁচটার আগে সংঘটিত হওয়া ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ৪৭ জন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৫ কিলোমিটার গভীরে
- 📌 ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা মাংগারাইয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের
- 📌 পূর্ব মাংগারাইয়ে ১৭ জন, সিকায় ৩ জন এবং নাগাদা, এন্দে ও পশ্চিম মাংগারাইয়ে অন্তত ১ জন করে মৃত্যু হয়েছে
- 📌 ভূমিকম্পে গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৩৬ জন
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫০টির বেশি বাড়ি, কয়েক ডজন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনা
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সময় শনিবার ভোর পাঁচটার আগে ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস দ্বীপে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১৫ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পর আরও বেশ কয়েকবার পরাঘাত অনুভূত হয়। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভূমিকম্প ও পরাঘাতে শতাধিক ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবি জানিয়েছে, ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে মাংগারাই অন্যতম। সেখানে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া পূর্ব মাংগারাইয়ে ১৭ জন, সিকায় ৩ জন এবং নাগাদা, এন্দে ও পশ্চিম মাংগারাইয়ে অন্তত ১ জন করে নিহত হন। ভূমিকম্পে গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৩৬ জন।
ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পর ইন্দোনেশিয়ার অন্য প্রান্তে আরও একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৯। ইন্দোনেশিয়া ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় এটি অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
ফ্লোরেসের সবচেয়ে বড় শহর মাউমেরে বন্দরের ভিডিওতে দেখা গেছে, ফেরিতে ওঠার জন্য অপেক্ষারত যাত্রীদের ওপর টার্মিনাল ভবনের কংক্রিটের অংশ ভেঙে পড়ছে। একটি জাহাজের সঙ্গে সংযোগকারী গ্যাংওয়ে ভেঙে পড়লে কয়েকজন যাত্রী সমুদ্রে ছিটকে পড়েন।
"লোকজন ঘুমন্ত অবস্থায় ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে মারা গেছেন। ওই প্রদেশের সিকা এলাকার উপকূলের কাছের তালিবুরা গ্রামের বাসিন্দা আর্নল্ড ওয়েলিয়ান্তো বলেন, 'আমি চমকে ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আমার সন্তানের ঘরে যাই।'"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্লোরেস দ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: ইস্ট নুসা তেনগারা প্রদেশের গভর্নর এমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৫১ জন, গুরুতর আহত ৩৬ জন, ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ১৫০টির বেশি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!