📌 ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে জাকার্তার প্রধান বিমানবন্দর বন্ধ হয়ে যায়। ৩৩টি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সসহ আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা তাদের ফ্লাইট সূচি পরিবর্তন করে। আগ্নেয়গিরির ছাই বিমানের নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে
ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির তীব্র অগ্ন্যুৎপাতের কারণে দেশটির রাজধানী জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাত্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। আগ্নেয়গিরির নির্গত ধোঁয়া ও ছাই আকাশে ছড়িয়ে পড়ায় বিমান চলাচল নিরাপত্তার কারণে স্থগিত করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রবিবার দুপুর ১২টার আগ পর্যন্ত বিমানবন্দরে কোনো ফ্লাইট ওঠানামা চলবে না। বিমানবন্দরটি আগ্নেয়গিরির এলাকা থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, তবে ছাইয়ের স্তর বিমানবন্দর এলাকায় পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরি থেকে তীব্র অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়েছে, যা জাকার্তার বিমানবন্দর বন্ধ করে দিয়েছে
- 📌 স্থানীয় সময় রবিবার দুপুর ১২টার আগ পর্যন্ত সোয়েকার্নো-হাত্ত বিমানবন্দরে কোনো ফ্লাইট চলাচল বন্ধ
- 📌 গত শুক্রবার রাত থেকে লাভা উদগীরণ শুরু হওয়ার পর রবিবার দু'বার অগ্ন্যুৎপাত ঘটে, আকাশে ছাইয়ের স্তর ছড়িয়ে পড়ে
- 📌 ৩৩টি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বিত হয়েছে
- 📌 সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা তাদের ফ্লাইট সূচি পরিবর্তন করেছে
- 📌 আগ্নেয়গিরির ছাই বিমানের ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং দৃষ্টিসীমা কমিয়ে দেয়
- 📌 ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, এই অগ্ন্যুৎপাত থেকে আপাতত কোনো সুনামির ঝুঁকি নেই
📰 বিস্তারিত
ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরি থেকে গত শুক্রবার রাত থেকে লাভা উদগীরণ শুরু হওয়ার পর রবিবার সকালে তীব্র অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। অগ্ন্যুৎপাতের বিকট শব্দ শত শত কিলোমিটার দূর থেকেও শোনা গেছে। রবিবার দু'বার অগ্ন্যুৎপাত ঘটে, যার ফলে আকাশে কয়েক হাজার মিটার উঁচু পর্যন্ত ছাইয়ের স্তর ছড়িয়ে পড়ে। বিমানবন্দর এলাকায় আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার কারণে ফ্লাইট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়।
ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তে অন্তত ৩৩টি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল এবং কয়েকটি বিলম্বিত হয়েছে। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা তাদের ফ্লাইট সূচি পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমান ও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ আগ্নেয়গিরির ছাই বিমানের ইঞ্জিনের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে এবং দৃষ্টিসীমা কমিয়ে দেয়।
ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, এই অগ্ন্যুৎপাত থেকে আপাতত কোনো সুনামির ঝুঁকি নেই। তবে আগ্নেয়গিরির অবস্থা নজরদারি করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
"বিমান ও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগ্নেয়গিরির ছাই বিমানের ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং দৃষ্টিসীমা কমিয়ে দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া (সোয়েকার্নো-হাত্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০ কিলোমিটার (আগ্নেয়গিরি থেকে বিমানবন্দর দূরত্ব), ৩৩টি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!